হাজীদের সেবার মান বাড়াতে একমত ঢাকা-রিয়াদ

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আরও গতিশীল করতে বৈঠক করেছেন দুই দেশের ধর্মমন্ত্রী। আজ সোমবার সৌদির স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় মদিনার কিং সালমান আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারে বৈঠক করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এবং সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রী ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহ।
বৈঠকে দুই মন্ত্রী হজ ও ওমরাহ যাত্রীসেবা বাড়াতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে ঐক্যমত পোষণ করেন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই আলোচনার ফলে বাংলাদেশি হাজিদের সুযোগ-সুবিধা ও সেবা প্রাপ্তিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
প্রযুক্তি ও আধুনিকায়নের প্রশংসা
বৈঠকে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন সৌদির হজ ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন ও প্রযুক্তি ব্যবহারের ভূয়সী প্রশংসা করেন। ‘বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ এবং ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে সৌদি হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনায় যে অসাধারণ অগ্রগতি এনেছে তা বিশ্ব মুসলিমের জন্য অনুকরণীয়’, বলছিলেন বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে রিয়াদের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে আশা করেন ধর্মমন্ত্রী। ‘ঢাকা ও রিয়াদের সম্পর্ক অভিন্ন ধর্মীয় বন্ধন ও পারস্পরিক আস্থার ওপর প্রতিষ্ঠিত।’ হজ, উমরাহ এবং ধর্মীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে জানান কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
লিখিত প্রস্তাবনা ও উপহার বিনিময়
বৈঠকে বাংলাদেশের হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের কল্যাণে প্রক্রিয়া আরও সহজ করতে একটি লিখিত প্রস্তাবনা সৌদি মন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন ধর্মমন্ত্রী। আলোচনা শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রীকে সৌজন্য উপহার দেওয়া হয়। সৌদি মন্ত্রীও বাংলাদেশের ধর্মমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা উপহার দেন।
এ সময় বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন, হজ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আয়াতুল ইসলাম এবং জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেটের কনসাল জেনারেল মো. সাখাওয়াত হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সৌদি আরবের পক্ষে দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি মিনিস্টার ড. আল হাসান ইয়াহিয়া আল মানখারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ধর্মমন্ত্রী বর্তমানে তৃতীয় ওমরাহ ও ভিজিট ফোরামে যোগ দিতে সৌদি সফরে রয়েছেন।

