আগামীর সময়

পাঁচ পদ্ধতিতে ভোট পর্যবেক্ষণে ইসি

পাঁচ পদ্ধতিতে ভোট পর্যবেক্ষণে ইসি

সংগৃহীত ছবি

পাঁচ পদ্ধতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ পর্যবেক্ষণ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের 'বডি ওর্ন' ক্যামেরা, ক্লোজ সার্কিট বা সিসি ক্যামেরা এবং ড্রোনসহ আরও কয়েকটি মাধ্যমে নির্বাচন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ইসির কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল।

এছাড়া ‘নির্বাচন সুরক্ষা’ অ্যাপও ভোট পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করা হচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন ভবনের ভেতরে কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

সকাল সাড়ে ৭টা থেকেই ভোট পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল।


ভোটকেন্দ্রের নিজস্ব সিসি ক্যামেরা, বডি ওর্ন ক্যামের, ড্রোন ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর মানুষবিহীন আকাশযানের ভিডিও ফিড দেখে ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে জানিয়ে দায়িত্বরতরা বলছেন, এখন পর্যন্ত তেমন কোনো ‘অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি’।

এছাড়া ‘নির্বাচন সুরক্ষা’ অ্যাপও ব্যবহার করা হচ্ছে ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে।"

সকালে আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল পরিদর্শন করেছে ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, নজরদারি নিশ্চিতে ৯০ ভাগের বেশি কেন্দ্রে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা আছে। পোলিং অফিসার থাকবে ৫ লাখের বেশি। এছাড়া আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের শরীরে আছে বডিওর্ন ক্যামেরা।

দেশের ৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ৪২ হাজার ৬৫১টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হবে। শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে নির্বাচন বাতিল করা হয়েছে। ওই আসনের ১২৮টি কেন্দ্রে ভোট হবে না; পরে নতুন তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।

ভোটগ্রহণ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়েছে, যা একটানা চলবে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

ইসি বৃহস্পতিবার সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টাকারীদের সব ধরনের তৎপরতা রেকর্ড করা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করেছে ইসি।

ভোটকেন্দ্রে যাতায়াতে বাধা দেওয়া, ভোট কেনাবেচা ও জাল ভোট দেওয়া আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ বলে তুলে ধরে আরেক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইসি বলেছে, এসব অপরাধে কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শেয়ার করুন: