শীঘ্রই খাল খনন কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত: পানিসম্পদমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি
বহুল আকাঙ্ক্ষিত নদী-খাল খনন কর্মসূচির অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে চারটা মন্ত্রণালয় একসঙ্গে বসে আলোচনা করে জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির বিষয়ে পরবর্তী সপ্তাহে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ এবং জাতীয় পর্যায়ে নদী-খাল-জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান এ কর্মসূচি নিয়ে বাংলাদেশে একটি মহাবিপ্লবে পরিণত করেছিলেন। তো দীর্ঘদিন থেকে আমরা দেশবাসী ভুক্তভোগী যে খাল খননও নেই এবং এই যে পানি জলাবদ্ধতা অথবা জলাশয়ে কোনো পানি নেই—সবকিছু থেকে দেশবাসী আমরা বঞ্চিত।
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, এবার নির্বাচনি ইশতেহারে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগ থেকেই বারবার এই কথাটা উল্লেখ করেছেন এবং খাল খনন প্রক্রিয়াটাকে পুনঃখনের মাধ্যমে দেশবাসীর সামনে নিয়ে আসবেন, আমরা যেন দেশের মানুষ সুবিধাটা পাই।
এ নিয়ে মিটিং করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে চারটা মন্ত্রণালয় আমরা বসে—বিশেষ করে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়সহ আমরা এই চারটা মন্ত্রণালয় বসবো। আলোচনা করবো এবং পরবর্তী সপ্তাহে সিদ্ধান্ত হবে।
তিনি বলেন, ‘সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা কীভাবে খাল খননের এই কর্মসূচি এবং বিপ্লব আকারে নিয়ে এটাকে সাকসেস করতে পারি, সেই সিদ্ধান্তে আমরা পৌঁছাব। আমাদের কার্যক্রম ১৮০ দিন যেটা, সেই কার্যক্রম আমাদের শুরু হবে।
১৮০ দিনের মধ্যে কি এটা শুরু হবে এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমরা শুরু করবো এবং ম্যাক্সিমামটা করার চেষ্টা করব ১৮০ দিনের মধ্যে দৃশ্যমান করার। শুরু হবে খুব শিগগিরই। কবে থেকে শুরু হবে, এক সপ্তাহের মধ্যে আমরা সে সিদ্ধান্ত নেব।

