আগামীর সময়

জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অ্যাথলেট মিমু আর নেই

জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অ্যাথলেট মিমু আর নেই

শামীমা সাত্তার মিমু (১ নভেম্বর ১৯৫৯-১৩ মার্চ ২০২৬)। ছবি: সংগৃহীত

হৃদরোগ ও ভার্টিগো সমস্যায় ভুগছিলেন দীর্ঘদিন ধরে। কয়েক মাস আগে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে হাঁটা-চলা ও মানুষ চিনতে সমস্যা হচ্ছিল জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক অ্যাথলেট শামীমা সাত্তার মিমুর। কিছুটা সুস্থ, আবারও চেষ্টা করছিলেন ক্রীড়াঙ্গনে সক্রিয় হওয়ার।


সেই প্রত্যাবর্তন আর দীর্ঘ হলো না। গতকাল রাতে রাজধানীতে নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শামীমা সাত্তার মিমু। তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মরদেহ দিনাজপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে তাকে।


তার মৃত্যুতে বিকেএসপি, বিসিবি, অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন, আর্চারি ফেডারেশনসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন ও বিশিষ্ট ক্রীড়া ব্যক্তিত্বরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।


শামীমা সাত্তার মিমু ছিলেন একাধারে প্রতিভাবান অ্যাথলেট, দক্ষ প্রশিক্ষক, বিচক্ষণ সংগঠক এবং ক্রীড়া প্রশাসক। দেশের অ্যাথলেটিকসকে এগিয়ে নিতে তিনি মাঠে যেমন দৌড়েছেন, তেমনি প্রশাসনিক দায়িত্বেও ছিলেন সমান সক্রিয় ও আন্তরিক।


জাতীয় অ্যাথলেটিকসে হাই জাম্পে দীর্ঘদিন আধিপত্য বজায় রেখেছিলেন মিমু। স্প্রিন্টেও জিতেছেন একাধিক পদক । ক্রীড়াক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০০ সালে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পান তিনি।


মিমু সম্মাননা পেয়েছেন বিএসপিএ (ক্রীড়া লেখক সমিতি) ও বাংলাদেশ ক্রীড়া সাংবাদিক সংস্থার সেরা অ্যাথলেটের। এছাড়া অনন্যা শীর্ষ দশ, ক্রীড়াবিদ ও সংগঠক হিসেবে পেয়েছেন কবি নূরল আমিন স্বর্ণ পদক। বাংলাদেশ নারী উদ্যোগ কেন্দ্রের স্বর্ণপদকও পেয়েছেন সাবেক এই অ্যাথলেট।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে মিমো কোচ, জাজ ও সংগঠক হিসেবে কাজ করেছেন। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কোচ হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করার পর তিনি বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) উপপরিচালক (প্রশিক্ষণ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


বিকেএসপির চাকরি শেষে অ্যাথলেটিকস, আর্চারি ফেডারেশনের সদস্য হিসেবে কাজ করেন। লম্বা সময় অ্যাথলেটিকসের জাজের দায়িত্বও পালন করেন মিমু।‎ ‎












    শেয়ার করুন: