কূটনীতিতে ভরসা রাখছে ইরান

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। ফাইল ছবি
সাময়িক যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী শান্তিচুক্তিতে রূপ দিতে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। চলতি সপ্তাহের শেষদিকে হতে পারে এ আলোচনা।
আলোচনার সফলতা নিয়ে আশাবাদী হলেও ব্যর্থ হওয়ার মতো অনেক বিষয় রয়েছে বলে মনে করে তেহরান। মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি যদিও যে কোনো সমস্যা কূটনীতির মাধ্যমে সমাধান আগ্রহী।
কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরঘচি পার করছেন ব্যস্ত সময়। তিনি নিয়মিত মধ্যপ্রাচ্য ও আশপাশের দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলছেন।
তবে দেশের শীর্ষ কূটনীতিকের ব্যাপক তৎপরতার মধ্যেও যুদ্ধবিরতি নিয়ে চুক্তির বিষয়ে অনেক অনিশ্চয়তা রয়েছে বলে মনে করে ইরান।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, আলোচনার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দুই থেকে তিনটি বিষয় এখনো আছে অমীমাংসিত। যার মধ্যে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ, লেবাননসহ সমগ্র অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি এবং তেহরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদের বিষয় রয়েছে অন্তর্ভুক্ত।
ইরানের চাওয়ার মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলো- স্থায়ী নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি এবং জব্দ করা সম্পদের অবমুক্তি।
ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসলেও ওয়াশিংটনকে বিশ্বাস করে না তেহরান।
মঙ্গলবার আমেরিকান সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মত দিয়েছেন, শেষ হওয়ার খুব কাছাকাছি চলে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ভাষ্য, ইসলামাবাদের মতো এমন একটি বৈঠক আগে কখনো হয়নি। ডেমোক্র্যাট বা রিপাবলিকান, কেউই করতে পারেনি।
ইরানের সামরিক বাহিনী, ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল এক বিষয়ে একমত যে, পরিস্থিতি যেকোনো মুহূর্তে হয়ে উঠতে পারে উত্তপ্ত। আলোচনা ব্যর্থ হলে যুদ্ধ শুরু হতে পারে আবারও।



