খামেনির দাফন হবে জন্মশহর মাশহাদে

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি হাতে নারীরা। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন হবে পবিত্র শহর মাশহাদে।
গতকাল মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা ফারসের বরাতে এমন খবর দিয়েছে এএফপি। ৮৬ বছর বয়সী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় গত শনিবার নিহত হন। এরপর দেশটিতে ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়।
খামেনি ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। সেখানে ইমাম রেজার মাজার এলাকায় তার বাবাকেও দাফন করা হয়।
খামেনির দাফনের আগে তেহরানে বিশাল এক বিদায়ী অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা জানিয়েছে বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী। টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক বার্তায় তারা এমনটি জানায়।
দাফনের সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
তবে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে আল-জাজিরা বুধবার জানিয়েছে, আজ রাত থেকে তেহরানে খামেনির স্মরণে তিন দিনের অনুষ্ঠান শুরু হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রয়াত খামেনির সমর্থকরা আজ রাত ১০টায় তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লার প্রার্থনা কক্ষে জড়ো হবেন। এর মাধ্যমে তিন দিনের স্মরণ অনুষ্ঠান শুরু হবে।
তাসনিমের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, খামেনির জানাজার বিস্তারিত এখনও চূড়ান্ত করা হচ্ছে। চূড়ান্ত হলে তা শিগগির জানানো হবে।
খামেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ (অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস) তার উত্তরসূরি নির্বাচন না করা পর্যন্ত শাসনক্ষমতা তিন সদস্যের একটি অন্তর্বর্তীকালীন কাউন্সিলের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছে।
এই কাউন্সিলে রয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান ও গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন আইনবিদ। গার্ডিয়ান কাউন্সিল হলো সেই সংস্থা যা আইন তদারকি করে এবং নির্বাচনী প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই-বাছাই করে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, খামেনির ছেলে মোজতবাকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি।

