তথ্যমন্ত্রী
সাংবাদিকরা সাবধান, রাজনীতিবিদরা সাবধান হয়েছে

ছবিঃ আগামীর সময়
‘সাংবাদিকতার মতো মহান পেশা কতিপয় লোকের কারণে বিতর্কিত হয়ে পড়েছে। অনেকে সাংবাদিক পরিচয় দিতে লজ্জা পান। আমি সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য বলি, আমি যে রাজনীতিবিদ এই পরিচয় দিতেও লজ্জা পাই। কারণ রাজনীতির নামে যা হচ্ছে তা-ও পরিচয় দেওয়ার মতো নয়। ফলে সাংবাদিকরা সাবধান, রাজনীতিবিদরা কিন্তু সাবধান হয়েছে’, বরিশালের আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী সভায় বলছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
আজ রবিবার ঈদ পুনর্মিলনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।
সাংবাদিকতার মতো পেশাগুলোয় থেকে কেউ বিত্তবান হয় না। ‘এ ধরনের পেশা পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে রাখতে হয়। কারণ এটা একটা প্রতিভা, কায়িক পরিশ্রমের কাজ নয়। এতে যোগ্যতা লাগে। কিন্তু তারা যদি তাদের পরিচয় সংকট থেকে মুক্তি না পায় রাষ্ট্র ও সমাজ বিব্রত হয়ে যায়’, ব্যাখ্যা করেন মন্ত্রী।
তার ভাষ্য, ‘দেশের প্রধানমন্ত্রীকে যদি জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হয় তাহলে যারা গণমাধ্যমে কাজ করেন তাদেরও জবাবদিহিতার মধ্যে থাকতে হবে। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী হলে যা-খুশি করা যায় না। তার প্রমাণ শেখ হাসিনা। তেমনি কোনো গণমাধ্যম, কোনো সাংবাদিক বা কোনো সংবাদপত্রের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড থাকলেই কিন্তু যা খুশি করা যাবে না।’
‘এখন অপসাংবাদিকতা যারা করে তাদেরও টের পাওয়ার একটা প্রক্রিয়া তৈরি করতে হবে। যাতে সৎ সাংবাদিকদের কেউ ব্ল্যাকমেইলার না বলে। আশা করি সাংবাদিকতা পেশাকে দ্রুত সম্মানজনক কাঠামোতে দাঁড় করাতে পারব’, যোগ করেন তিনি।
আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এফএম নাজমুল রিপনের সঞ্চালনায় প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শামীমুল ইসলাম শামীমের সভাপতিত্বে ঈদ পুনর্মিলনী সভায় আরও বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বণিক, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শিকদার হাফিজুল ইসলাম, সদস্য সচিব মোল্লা বশির আহাম্মেদ পান্না, আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সর্দার হারুন রানা, মো. সাইফুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মো. মাসুম হাওলাদার প্রমুখ।

