বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিলেন শিক্ষার্থীরা

ছবি: আগামীর সময়
পটুয়াখালীর গলাচিপায় বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের কারণে মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিতে হয়েছে ডিগ্রি পরীক্ষার্থীদের। গতকাল বুধবার গলাচিপা মহিলা কলেজ কেন্দ্রে ঘটে এ ঘটনা। বিষয়টি নিয়ে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
কলেজ সূত্রে জানা যায়, বুধবার বেলা ২টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও হিসাববিজ্ঞানসহ চারটি বিষয়ের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন মোট ৭টি কক্ষে ৩০৯ জন পরীক্ষার্থী।
পরীক্ষা শুরু হওয়ার প্রায় ১ ঘণ্টা পর, বেলা ৩টার দিকে হঠাৎ করে চলে যায় বিদ্যুৎ। এরপর কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রতিটি কক্ষে সরবরাহ করে মোমবাতি। পরে মোমবাতির আলোতেই প্রায় ১ ঘণ্টা পরীক্ষা দেন পরীক্ষার্থীরা।
পরীক্ষার্থী আবুল হোসেন জানান, অন্ধকারে পরীক্ষা দিতে গিয়ে লেখালেখিতে হয়েছে সমস্যা। তিনি বলছিলেন, পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়েন ভোগান্তিতে।
অভিভাবক বশির উদ্দিন বললেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ-বিভ্রাট অস্বাভাবিক নয়, তবে কলেজ কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল বিকল্প ব্যবস্থা রাখা। সে ব্যবস্থা না থাকায় সমস্যায় পড়েছেন পরীক্ষার্থীরা।
গলাচিপা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান মিয়া জানান, কয়েক দিন ধরে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে এলাকায় চলছে বিদ্যুৎ-বিভ্রাট। আগে থেকেই সংগ্রহ করে রাখা হয়েছিল কিছু মোমবাতি। বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীরা কিছু সময় মোমবাতির আলোতে পরীক্ষা দিতে বাধ্য হয়।
পরিদর্শক প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সজল দাস জানালেন, বিদ্যুৎ-বিভ্রাটের কারণে কিছু সময় মোমবাতির আলো ব্যবহার করা হলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় পরে।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গলাচিপা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. সিদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল বিদ্যুৎ সরবরাহ। বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়ার ঝুঁকি এড়াতে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে অল্প সময়ের মধ্যেই স্বাভাবিক করা হয় বিদ্যুৎ।



