পার্সেল পেয়ে ‘কৌতুহল’, খুলে আতঙ্ক

ছবিঃ আগামীর সময়
সাপ্তাহিক ছুটি কাটিয়ে সকালে কলেজে আসেন নাটোরের গুরুদাসপুরের রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজের দুই সহকারি অধ্যাপক। জানলেন, দুইদিন আগে তাদের নামে এসেছে দুটি পার্সেল। অবাক দুজন পার্সেল খুলে হতভম্ব। বেরিয়ে এলো কাফনের কাপড়।
আজ রবিবার সকালের এ ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে কলেজে। পার্সেল পেয়ে পুলিশ ডাকেন মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন ও ইসলাম শিক্ষা বিভাগের প্রধান সহকারী অধ্যাপক আব্দুস সামাদ।
তাদের বর্ণনায় জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকালের পর কোনো এক সময় পোস্ট অফিস থেকে আসে পার্সেলদুটি। দুইদিন বন্ধ থাকায় রবিবার সকালে এসে সেগুলো দেখেন অধ্যাপক আনোয়ার ও আব্দুস সামাদ। খুলে পান ভাঁজ করা চার টুকরো সাদা কাফনের কাপড়।
বাদামি রঙের খামে আসে এসব। অধ্যাপক আনোয়ারের পার্সেলে প্রেরকের নামে লেখা- লিখন হোসেন। আব্দুস সামাদের প্যাকেটে লেখা জনি আহমেদের নাম। প্রেরকের ঠিকানায় দেয়া সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার নাম।
‘হঠাৎ এমন ঘটনা অপ্রত্যাশিত। আমরা শঙ্কিত, এটা আসলো কেন’- বক্তব্য দুজনের। ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতা নেই, তাড়াশে নেই চেনাজানা কেউ- দাবি তাদের।
‘এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন’ রোজী মোজাম্মেল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মাহতাব উদ্দিন। ‘পুলিশ তদন্ত করছে। দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করবে’।
ভয় দেখানোর জন্য কেউ এ ঘটনা ঘটিয়েছে- ধারণা কলেজের নতুন সভাপতি মোহাম্মদ ওমর আলীর। থানায় অভিযোগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন দুই অধ্যাপক- জানালেন তিনি।
ঘটনা নিশ্চিত করে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল আলম বললেন, ‘পার্সেলের রহস্য উদঘাটনে চলছে তদন্ত।’



