চৌদ্দগ্রামে চাঁদা না পেয়ে হোটেলে হামলা-ভাঙচুর

ছবিঃ আগামীর সময়
চৌদ্দগ্রামে চাঁদা না পেয়ে মহাসড়কের পাশে একটি খাবার হোটেলে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। রবিবার সকাল ৯টার দিকে হোটেল জোনাকি-২ নামের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানটিতে হামলা হয়। এতে অন্তত ১০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
ঘটনাটি উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লালারপুল এলাকার। ভুক্তভোগী হোটেল মালিক মো. আব্দুল মতিন ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানায়। পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ।
বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোসাইন।
থানায় দায়ের করা অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, ঘোলপাশা ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের মফিজুর রহমানের দুই ছেলে ব্যবসায়ী আব্দুল মতিন ও নূরুর সাফা। তারা লালারপুল এলাকায় পারিবারিক জমিতে একটি সেমিপাকা হোটেল করে খাবার ব্যবসা চালু করেন। বিভিন্ন সময়ে একই ইউনিয়নের বসুন্ডাবাড়ী এলাকার মৃত আছলাম মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন সাদ্দাম, দেলোয়ার হোসেন দুলাল, বিল্লাল হোসেন, মো. বাবুল, একই বাড়ির মো. বাবুলের ছেলে মো. মাসুম ও মো. টুটুলসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন তাদের কাছে চাঁদা চাইছিলেন।
চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় রবিবার সকালে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী হোটেলে হামলা চালায় একই এলাকার কোরবান আলীর ছেলেসহ অভিযুক্তরা। এ সময় হামলাকারীরা হোটেলের দেয়াল, ওপরের টিন, দরজা, কাচের জানালা, আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। নষ্ট করে খাবার। হোটেলের ম্যানেজারসহ কর্মচারীদের মারধর করে। লুট করে নগদ ৭০ হাজার টাকা।
এ সময় ভুক্তভোগীদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায় এবং কোনো মামলা না করার জন্য হুমকি দেয়।
অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেন বলছিলেন, ‘হোটেলটি আমাদের জায়গায়। এটি নিয়ে আদালতে উভয়পক্ষের মামলা চলছে। কে বা কারা হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে এ বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না।’
অপরদিকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি জানান, ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। ‘মামলা প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’




