তথ্যমন্ত্রী
শ্রোতাদের টার্গেট করে এগোতে হবে

ছবিঃ আগামীর সময়
‘যে কোনো সরকারি উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জনগণের সেবা। বাংলাদেশ বেতারের মতো প্রতিষ্ঠানের কাজ মানুষের কাছে তার চাহিদা অনুযায়ী তথ্য পৌঁছে দেওয়া। উপকূলীয় এলাকায় সাগরে মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত জেলেরা হচ্ছে শ্রোতা। গুরুত্বপূর্ণ টার্গেট অডিয়েন্স। সুতরাং বরিশাল বেতার কেন্দ্রের পরিকল্পনায় এ ধরনের শ্রোতাদের টার্গেট করে এগোতে হবে’, বলছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি। সোমবার বিকেলে বরিশাল নগরীর রুপাতলীর বেতার কেন্দ্র পরিদর্শনে যান তিনি।
‘দুর্যোগের সময় বেতারের যোগাযোগটাই থাকে একমাত্র মাধ্যম, সেক্ষেত্রে এটি কাজে লাগাতে হবে। লক্ষ্য পূরণের জন্য যে ধরনের যান্ত্রিক, প্রশাসনিক ও জনবলের পরিবর্তন তৈরি করা প্রয়োজন সেজন্য আমরা কাজ করব।’
তথ্যমন্ত্রীর ভাষ্য, ‘বরিশাল বেতারের মতো বাংলাদেশে যে কয়টি কেন্দ্র আছে সেগুলোর সার্বিক অবস্থার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। কেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতির উন্নয়নে কি ধরনের কাজ করা প্রয়োজন এবং বাজেটে কি ধরনের বরাদ্দ রয়েছে, সেগুলোর বিষয়ে খতিয়ে দেখা হবে।
‘তথ্য মন্ত্রণালয়ের এ বিষয়ে কাজ করার এখতিয়ার নেই। কিন্তু ওয়েজবোর্ড সংবাদপত্র জগতে কতটা কাজে লাগছে, লাগছে না, কে কত প্রয়োগ করছে, করছে না— এর সঙ্গে সাংবাদিকদের জীবনমান, বেতন কাঠামো, পেশাগত নিরাপত্তা জড়িত থাকায় সেটা দেখভাল করার দায়িত্ব তথ্য ও সস্প্রচার মন্ত্রণালয়ের। তবে বিষয়টি যত জটিলই হোক না কেন, সাংবাদিকতা একটি মর্যাদাময় পেশা। শ্রম কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে ওয়েজবোর্ডকে সম্মানজনক পর্যায়ে নিয়ে আসতে চাচ্ছি’, সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ড তৈরি ও দেওয়ার ক্ষমতা শ্রম কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জানিয়ে যোগ করেন জহির উদ্দিন স্বপন।

