প্রথমবারের মতো অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগে পরীক্ষা, পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী

ছবি: আগামীর সময়
দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর আইনি জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে শুরু হলো বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ‘প্রতিষ্ঠান প্রধান’ ও ‘সহকারী প্রধান শিক্ষক’ নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করে পরীক্ষার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) অধীনে এই পরীক্ষাটিকে দেখা হচ্ছে শিক্ষা খাতের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে।
মন্ত্রী এদিন পরিদর্শন করেন সরকারি বাঙলা কলেজ, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ ও তেজগাঁও কলেজের কেন্দ্র।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে প্রথমবারের মতো অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার, সহ সুপার নিয়োগ হচ্ছে পরীক্ষার মাধ্যমে। আগে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগের ক্ষমতা ছিল ম্যানেজিং কমিটির হাতে।
এর ফলেই প্রায়ই অভিযোগ উঠতো অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও বড় অংকের অর্থ লেনদেনের। সেই ‘নিয়োগ বাণিজ্য’ বন্ধ করতে এবারই প্রথম কেন্দ্রীয়ভাবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে এই পরীক্ষার আয়োজন করেছে এনটিআরসিএ।
এদিন সকাল ৯টায় ‘ক’ গ্রুপের পরীক্ষা দিয়ে শুরু হয় এই পরীক্ষা। শেষ হয় সকাল ১০টায়। এতে অংশ নিয়েছেন প্রায় ৫৩ হাজার ৬৯ জন প্রার্থী।
সময়সূচি অনুযায়ী, ‘খ’ গ্রুপের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বেলা ১১টা ৩০ মিনিট থেকে ১২টা ৩০ মিনিট, ‘গ’ গ্রুপের পরীক্ষা দুপুর ২টা থেকে ৩টা এবং ‘ঘ’ গ্রুপের পরীক্ষা বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট থেকে ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে এনটিআরসিএ কার্যালয়ে।
রাজধানীর ৯টি কেন্দ্রে হচ্ছে এসব পরীক্ষা। এগুলো হচ্ছে- লালমাটিয়া গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, তেজগাঁও কলেজ, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, কলেজ অব অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সাইন্স, সরকারি বাঙলা কলেজ, গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল ও কলেজ, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ, লালমাটিয়া সরকারি মহিলা কলেজ ও বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ।



