রেকর্ড গড়ছে বিটিএসের নতুন অ্যালবাম

বিটিএসের সাত সদস্য। ছবি: নেটফ্লিক্স
বিশ্বখ্যাত কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস তাদের নতুন অ্যালবাম ‘অরিরাং’ দিয়ে আবারও ইতিহাস গড়েছে। অ্যালবামটি মার্কিন সংগীত চার্ট ‘বিলবোর্ড ২০০’ এ সরাসরি এক নম্বরে উঠে এসেছে, যা তাদের ক্যারিয়ারের সপ্তম শীর্ষস্থান অর্জনকারী অ্যালবাম।
‘অরিরাং’ প্রথম সপ্তাহেই ৬ লাখ ৪১ হাজার অ্যালবাম বিক্রি করেছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ৩২ হাজারই ছিল সরাসরি অ্যালবাম বিক্রি। গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে কোনো সংগীত দলের জন্য এটি সবচেয়ে বড় বিক্রির রেকর্ড। এর আগে সর্বোচ্চ প্রথম সপ্তাহের রেকর্ড ছিল টেইলর সুইফটের ‘দ্য লাইফ অব আ শোগার্ল’ অ্যালবামের, যা ৪০ লাখের বেশি ইউনিট নিয়ে শীর্ষে উঠেছিল।
শুধু অ্যালবাম বিক্রির দিক থেকেও ‘অরিরাং’ বিশাল সাফল্য পেয়েছে। ‘শোগার্ল’ এর পর এটিই সবচেয়ে বেশি বিক্রিত অ্যালবাম। এর আগে কোনো সংগীত দলের মধ্যে সর্বশেষ বড় রেকর্ডটি ছিল ওয়ান ডিরেকশন ব্যান্ডের, যারা ২০১৩ সালে ‘মিডনাইট মেমোরিজ’ অ্যালবাম দিয়ে ৫ লাখ ৪৭ হাজার কপি বিক্রি করেছিল।
অ্যালবামটির সাফল্যে বড় ভূমিকা রেখেছে ভিনাইল বিক্রি। ১৭টি ভিন্ন সংস্করণে মোট ২ লাখ ৮ হাজার কপি ভিনাইল বিক্রি হয়েছে, যা আধুনিক যুগে ষষ্ঠ সর্বোচ্চ ভিনাইল বিক্রির রেকর্ড। এই তালিকার শীর্ষ পাঁচটি অবস্থানই দখলে রেখেছেন টেইলর সুইফট।
এর আগে বিটিএসের শীর্ষস্থান দখল করা অ্যালবামগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘লাভ ইয়োরসেলফ: টিয়ার’ (২০১৮), ‘লাভ ইয়োরসেলফ: আন্সার’ (২০১৮), ‘ম্যাপ অব দ্য সোল: পারসোনা’ (২০১৯), ‘ম্যাপ অব দ্য সোল: সেভেন’ (২০২০), ‘বি’ (২০২০) এবং ‘প্রুফ’ (২০২২)।
বাধ্যতামূলক সামরিক প্রশিক্ষণ শেষ করে একসঙ্গে গানে ফিরেছেন ব্যান্ডের সদস্যরা জিন, সুগা, জে-হোপ, আরএম, জিমিন, ভি এবং জাংকুক। ফিরেই প্রথম অ্যালবামে এমন চমক দেখালো বিটিএস। অ্যালবাম প্রকাশ উদযাপন করতে তারা সিউলের গোয়াংহওয়ামুন স্কয়ারে একটি বিশেষ কনসার্ট আয়োজন করে, যা নেটফ্লিক্সে সম্প্রচার করা হয়। পাশাপাশি এই প্ল্যাটফর্মেই একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্রও প্রকাশ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, অ্যালবাম চার্টে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লুক কম্বসের ‘দ্য ওয়ে আই অ্যাম’। তৃতীয় স্থানে আছে মরগান ওয়ালেনের ‘আই’ম দ্য প্রবলেম’। এরপরের অবস্থানগুলোতে রয়েছে হ্যারি স্টাইলসের ‘কিস অল দ্য টাইম, ডিসকো, অকেশনালি’, ডন টলিভারের ‘অকটেন’। ছয় থেকে দশ নম্বর পর্যন্ত রয়েছে অলিভিয়া ডিনের ‘দ্য আর্ট অব লাভিং’, ব্যাড বান্নির ‘দেবি তিরার মাস ফোতোস’, ব্রুনো মার্সের ‘দ্য রোমান্টিক’, মরগান ওয়ালেনের ‘ওয়ান থিং অ্যাট আ টাইম’ এবং ‘কে-পপ ডেমন হান্টার্স’ সাউন্ডট্র্যাক।
সূত্র: ভ্যারাইটি

