আগামীর সময়

যেসব খাবারের সঙ্গে ভুলেও ডিম খাবেন না

যেসব খাবারের সঙ্গে ভুলেও ডিম খাবেন না

সংগৃহীত ছবি

ডিম একটি পুষ্টিগুণে ভরপুর সুপারফুড,তাই অনেকেই দিনের শুরুতে কিংবা বিকালে নাশতায় রাখেন। কারণ এতে উচ্চমানের প্রোর্টিন,ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় খনিজ উপদান থাকে।


তাছাড়া প্রতিদিন একটি ডিম খেলে স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ হয়, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে, চোখের স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় এবং হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও কমতে পারে।


আর এই কারণেই পুষ্টিবিদরা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, ডিমের সাথে কিছু খাবার একসঙ্গে খাওয়া ঠিক নয়। সামান্য ভুল খাদ্যসংমিশ্রণ ডিমের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ নষ্ট করার পাশাপাশি শরীরের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে।


কোন কোন খাবার ডিমের সঙ্গে একদমই খাবেন না। শরীরের জন্য চরম ক্ষতিকারক। এই খাবারের সংমিশ্রণ ক্ষতিকারক হতে পারে। এগুলি ডিমের স্বাদ এবং পুষ্টিগুণ নষ্ট করে।


অ্যালকোহল ও ডিম অ্যালকোহল পান করার সময় ডিমজাত খাবার অনেকেই খেয়ে থাকেন। কিন্তু এই সংমিশ্রণ শরীরের জন্য ভালো নয়। অ্যালকোহলের এসিডিটি ডিমের স্বাভাবিক স্বাদ নষ্ট করে এবং হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে। অনেক সময় ডায়রিয়া বা পেটের অস্বস্তিও দেখা দেয়। তাই অ্যালকোহল পানের সময় ডিম এড়িয়ে চলাই ভালো।


সাইট্রাস ফল ও ডিম লেবু, কমলা বা অন্যান্য সাইট্রাস ফলে থাকা এসিড ডিমের প্রোটিনের গঠন ভেঙে দিতে পারে। এতে ডিমের স্বাদ যেমন নষ্ট হয়, তেমনই হজমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এই সংমিশ্রণ পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা অস্বস্তির কারণ হতে পারে। দই ও ডিম ডিমে প্রচুর প্রোটিন আর দইয়ে থাকে ল্যাকটিক এসিড। এই দুটি একসঙ্গে খেলে অনেকের হজমে সমস্যা হয়। পেটে গ্যাস, বদহজম বা অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। যদিও আলাদাভাবে দুটোই পুষ্টিকর, একসঙ্গে খেলে কাঙ্ক্ষিত উপকার পাওয়া যায় না।


ডিম ও আচার আচার সাধারণত টক ও ঝাল হয়, যা ডিমের হালকা স্বাদের সঙ্গে মানানসই নয়। বাণিজ্যিক আচারে থাকা ভিনেগার ডিমের প্রোটিনের গঠন নষ্ট করতে পারে। ফলে স্বাদ যেমন খারাপ হয়, তেমনই হজমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।


চা ও ডিম চায়ে থাকা ট্যানিন ডিমের আয়রন শোষণে বাধা দেয়। এর ফলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পুরোপুরি পায় না। তা ছাড়া কড়া চা পান করার পর ডিম খেলে ডিমের স্বাদও অনেকটাই ম্লান হয়ে যায়।


মিষ্টি সিরিয়াল ও ডিম চিনি বা গুড় মেশানো সিরিয়াল ডিমের স্বাদের সঙ্গে একেবারেই বেমানান। এই সংমিশ্রণ রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে, যার ফলে কিছুক্ষণ পর ক্লান্তি ও শক্তির অভাব দেখা দেয়।


সয়া দুধ ও ডিম সয়া দুধে থাকা ফাইটেট জাতীয় উপাদান ডিমের প্রোটিন হজমে বাধা সৃষ্টি করে। এতে ডিমের পুষ্টি পুরোপুরি শোষিত হয় না এবং পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। অনেক সময় এই দুটি একসঙ্গে খেলে অদ্ভুত গন্ধও তৈরি হয়।

    শেয়ার করুন: