আগামীর সময়

প্রত্যাশিত দেশ গঠনে দেব সর্বোচ্চ শক্তি : প্রধানমন্ত্রী

প্রত্যাশিত দেশ গঠনে দেব সর্বোচ্চ শক্তি : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের প্রথম ঈদ আজ। দেশের মাটিতে অনেক বছর পর ঈদ করছেন তিনি। এদিন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন যমুনায় কূটনীতিকসহ সবস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সরকারপ্রধান। পরে কথা বলেন সংবাদমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে। জানান বিশেষ এই ঈদ উদযাপনের অনুভূতি।

‘বহু বছর পরে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ইচ্ছায় বাংলাদেশের মানুষের দোয়ায় আমি এবং আমার পরিবার দেশের মাটিতে দেশের মানুষের সাথে ঈদ পালন করতে সক্ষম হয়েছি তার জন্য আমি প্রথমেই আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি।’

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ‘প্রত্যাশিত বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে দেশবাসীর দোয়া ও সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী।

‘এই ঈদে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে আমরা রহমত চাই যেন আল্লাহ আমাদেরকে সেই রহমত দেন যাতে করে আমরা বাংলাদেশের মানুষের সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশকে ধীরে ধীরে গড়ে তুলতে পারি।’

‘আজকের এই ঈদের দিনে দেশবাসীর কাছে আমি দোয়া চাই। একই সাথে দেশবাসীর কাছে আমি অনুরোধ জানাবো যে, আপনাদের সহযোগিতা যদি থাকে ইনশাআল্লাহ আপনাদের এই নির্বাচিত সরকার দেশকে আপনাদের চাওয়া অনুযায়ী দেশ গঠনের কাজে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাবে।’

এ সময় স্মরণ করেন একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা ও চব্বিশের অভ্যুত্থানে গণতন্ত্রের যোদ্ধাদের।

‘৭১ এবং ২৪ এ যারা শহীদ হয়েছে শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁদের স্মরণ করছি।’

দলমত নির্বিশেষে সবার সুস্থতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

‘এই দেশের একজন নাগরিক হিসেবে আল্লাহ রব্বুল আলামীনের কাছে দোয়া করি যেন আল্লাহ আমাদেরকে সেই রহমত দেন, এই ঈদে বাংলাদেশের মানুষ যতটা নির্বিঘ্নে বা যতটা শান্তিতে ঈদ উদযাপন করতে সক্ষম হয়েছে... ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতের ঈদগুলোতে যেন আরও বেশি শান্তিপূর্ণভাবে আমরা ঈদ উদযাপন করতে সক্ষম হই দেশের সকল শ্রেণিপেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে’- প্রত্যাশা তারেক রহমানের।

জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত শেষে যমুনায় যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত-হাই কমিশনারদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এসময় সরকারপ্রধানের পাশে ছিলেন তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

পরে প্রধান বিচারপতি ‍জুবায়ের রহমান চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাই কোর্টের বিচারপতিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এরপর আসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিনবাহিনী প্রধান, বিজিবি প্রধান, পুলিশ প্রধানসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পালা।

বিভিন্ন শ্রেণিপেশার নাগরিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময়েও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ও মেয়ে।

    শেয়ার করুন: