প্রচ্ছদসর্বশেষইপেপার
শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হান্টাভাইরাস, প্রতিকার কী

আতঙ্ক ছড়াচ্ছে হান্টাভাইরাস, প্রতিকার কী

শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
আগামীর সময়
  • বেটা
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিশ্ব
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • চট্টগ্রাম
  • শিক্ষা
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
EN
  • বেটা
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • সারা দেশ
  • বিশ্ব
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • চট্টগ্রাম
  • শিক্ষা
  • বিচিত্রা
  • ইপেপার
  • EN

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলীগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

আলোই জাতীয় সংসদ ভবনের আত্মা

অনলাইন ডেস্কপ্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৬, ১৭:৩৪
আলোই জাতীয় সংসদ ভবনের আত্মা

১৯৫৯ সাল। বাংলাদেশ তখন পূর্ব পাকিস্তান। তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খান সিদ্ধান্ত নিলেন, ঢাকা হবে ‘দ্বিতীয় রাজধানী’। অর্থনীতি, রাজনীতি— পদ্মা পাড়ের মানুষ অনেকদিন ধরেই বঞ্চিত। ক্ষমতাবান আইয়ুব খান হয়তো ভাবছিলেন, ঢাকায় একটা সংসদ ভবন বানালে খুশি হবে মানুষ। মানুষকে খুশি করার জন্য শাসনতন্ত্র অনেক রকম সিদ্ধান্তই নেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যে ভবনটা তৈরি হলো, সেটা নিছক রাজনৈতিক স্থাপত্য হয়ে থাকল না; হয়ে গেল বিশ শতকের স্থাপত্যের অন্যতম সেরা কাজ।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বিখ্যাত ভবনটির ডিজাইন করবেন কে? তৎকালীন সরকার গেল ইয়েল-ফেরত স্থপতি মাজহারুল ইসলামের কাছে। তিনি বুঝে গেলেন, একটি ভবন ঢাকাকে বিশ্ব মানচিত্রে তুলে ধরবে। এই কাজ করতে হবে এমন কাউকে যিনি আন্তর্জাতিক চরিত্র। চাইলে নিজেই করতে পারতেন। কিন্তু তিনি নিজের খ্যাতির চেয়ে দেশের স্থাপত্যকে বড় করে দেখছিলেন। প্রথমে চাইলেন ফিনিশ স্থপতি আলভার আল্টোকে আনতে। তারপর লে করবুজিয়ে। হলো না। তিনিও ব্যস্ত। শেষে ইয়েলের শিক্ষক লুই আই কানের নাম সুপারিশ করলেন মাজহারুল ইসলাম।

লুই কান তখন ষাট পেরিয়ে। পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রিচার্ডস মেডিকেল রিসার্চ ল্যাবরেটরি ডিজাইন করে নাম করেছেন। তিনি প্রথম ঢাকায় এসেছিলেন ১৯৬৩ সালের জানুয়ারিতে। সাইট দেখলেন। ২০০ একরের সমতল জমি। চারপাশে ধানক্ষেত। জলাভূমি। ব-দ্বীপের নরম মাটি। তার কাছে এই পানি, সমতল জমি সমস্যা মনে হলো না। এটাই তার ডিজাইনের ভিত্তি। বাংলার নদী-খাল, পানি, প্রকৃতি মিশে গেল ভবনের সঙ্গে। ১৯৬৪ সালে শুরু হলো নির্মাণকাজ।

যে তুমি হরণ করো

সংসদ ভবনের তিন পাশে কৃত্রিম লেক বানালেন লুই কান। পানির ওপর দিয়ে ভবনটা দেখলে মনে হয়, কংক্রিটের একটা দৈত্য পানি থেকে উঠে এসেছে। শান্ত, স্থির, শক্তিশালী। অবিশ্বাস্য ব্যাপার হলো: বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনে কোনো সাধারণ কলাম নেই। এত বড় ভবন কলাম ছাড়াই করা হলো। স্থপতি বানিয়েছিলেন ‘hollow column’ বা ফাঁপা স্তম্ভ। মানে কলামের ধারণাটাই উল্টে গেল।

লুই কান মন্তব্য করেছিলেন, আপনি যদি এক সারি কলাম দেখেন, তাহলে বলতে পারেন— স্তম্ভগুলোর বিন্যাস আসলে আলোর একটি নির্বাচন। উল্টোভাবে ভাবুন: কল্পনা করুন স্তম্ভগুলো ফাঁপা এবং অনেক বড়। তাদের দেয়ালগুলো নিজেরাই আলো ছড়াতে পারে। যে ফাঁকা জায়গাগুলো আছে সেগুলোই হয়ে যায় কক্ষ।

জাতীয় সংসদ ভবন মোট ৯টা ব্লক নিয়ে তৈরি। মাঝখানে একটা অষ্টভুজাকৃতির ব্লক, এটাই সংসদ কক্ষ। চারপাশে আটটা ব্লক। উচ্চতায় কেন্দ্রের ব্লক ১৫৫ ফুট, বাকিগুলো ১১০ ফুট। কিন্তু দূর থেকে দেখলে মনে হয় একটাই ভবন। আলাদা করার সুযোগ নেই। পুরোটা মিলেমিশে একটা একক কাঠামো। বাইরের দেয়ালে লক্ষ্যণীয় বিশাল বিশাল জ্যামিতিক ছিদ্র, বৃত্ত, ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ। এগুলো দেখতে শিল্পকর্মের মতো। কিন্তু ঢাকার প্রচণ্ড গরম আর বৃষ্টি থেকে ভবনটিকে বাঁচাতেই এই ডিজাইন। এখানে সরাসরি ভেতরে ঢোকে না রোদ। বাতাস চলাচল করে। আবার আটকায় বৃষ্টির পানিও।

আলো যখন স্থাপত্যের আত্মা

১৯০১ সালে এস্তোনিয়ায় জন্মগ্রহণকারী লুই কান বলতেন, ‘আলো হলো স্থাপত্যের আত্মা’। তার দেয়ালগুলো নিজেই আলো তৈরি করে। বাংলাদেশের সংসদ কক্ষের উপরে ১১৭ ফুট উচ্চতার একটা প্যারাবোলিক শেল রুফ আছে। এই ছাদের উপরে আছে একটা ক্লিয়ারস্টোরি যেখান দিয়ে প্রাকৃতিক আলো ঢোকে। আলো প্রথমে অষ্টভুজাকৃতির দেয়ালে পড়ে, তারপর প্রতিফলিত হয় পুরো কক্ষে। এই আলো সকালে এক রকম, দুপুরে আরেক রকম। সারাদিন বদলায়। ব্যবস্থা আছে কৃত্রিম আলোর। কিন্তু এই কৃত্রিম আলো এমনভাবে ডিজাইন করা যা প্রাকৃতিক আলোকে বাধা দেয় না।

জাতীয় সংসদ ভবন তৈরি হয়েছে ঢালাই কংক্রিট দিয়ে। লুই কান রঙ বা প্লাস্টার চাননি। কংক্রিটের স্বাভাবিক রূপটাই চেয়েছেন। একটা সমস্যা ছিল। কংক্রিট ঢালাইয়ের সময় কাজের মাঝে জয়েন্ট থাকে। দেখতে খারাপ লাগে। কান সমাধান বের করেন প্রতি পাঁচ ফুট পরপর সাদা মার্বেলের ব্যান্ড বসিয়ে দিয়ে। এই মার্বেল ছয় ইঞ্চি ভেতরে ঢোকানো। এগুলো ‘Drip mold’ হিসেবে কাজ করে, ফলে গড়িয়ে পড়ে বৃষ্টির পানি, দেয়ালে দাগ পড়ে না।

জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণকাজ যখন চলছিল তখন পূর্ব পাকিস্তানে ভারী মেশিনপত্র প্রায় ছিল না। ক্রেনও নয়। হাজার হাজার শ্রমিক, মাথায় ঝুড়িতে করে ভেজা কংক্রিট নিয়ে বাঁশের ভারা বেয়ে ১০০ ফুটেরও বেশি উচ্চতায় উঠতেন। যে ভবনটা আজ বিশ্বের অন্যতম সেরা স্থাপত্য, সেটা তৈরি হয়েছে বাঙালি শ্রমিকদের কাঁধে। সংসদ ভবনের মসৃণ কংক্রিটের ফিনিশিং পেতে স্থানীয় শ্রমিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

সংসদ ভবনের উত্তর দিকে অবস্থিত সংসদ সদস্যদের হোস্টেল এবং অন্যান্য স্থাপনায় লুই কান ‘Exposed Brickwork’ ব্যবহার করেছেন। তারপর দুয়ারে ১৯৭১। মার্চে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে বন্ধ হয়ে যায় সব কাজ। ভবনটা তখন অসম্পূর্ণ। একটা সদ্য স্বাধীন দেশ, অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে, দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা। ১৯৭৪ সালে সিদ্ধান্ত হলো, ভবনটির কাজ শেষ করা হবে। লুই কানের আসল ডিজাইন অনুযায়ীই। কিছু বদলানো হবে না। তৎকালীন সরকার বলল, এই ভবন হবে গণতন্ত্রের প্রতীক।

ভবনটা শেষ হলো ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি। উদ্বোধন হলো ১৫ ফেব্রুয়ারি। তখন লুই কান বেঁচে নেই। সেই সময় ভবনটা প্রায় তিন-চতুর্থাংশ শেষ। তার সহযোগী ডেভিড উইজডম আর হেনরি উইলকটস কানের আঁকা প্রতিটা ড্রইং হুবহু অনুসরণ করলেন। প্রায় ২০ বছর লেগেছিল এই নির্মাণকাজে। মোট খরচ হয় ৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি টাকায় সে সময় প্রায় ১৩৩ কোটি টাকা।


জাতীয় সংসদ ভবনে ১ হাজার ৬৩৫টা দরজা আছে। জানালা ৩৩৫টা। ৩৪০টা টয়লেট। সিঁড়িও ৫০টা। ভবনটির বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ খরচ প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা। ভবনের প্রবেশপথে নামাজ ঘর। পাকিস্তান সরকার চেয়েছিল গম্বুজ আর মিনারসহ ঐতিহ্যবাহী মসজিদ। কান রাজি ছিলেন না। তার ভাষ্য ছিল, পুরো ভবনটাই পবিত্র জায়গা, মানুষের সমাবেশ হবে। আলাদা গম্বুজ দরকার নেই। পরে তিনি নামাজের ঘরটা মূল অক্ষ থেকে ১৫ ডিগ্রি ঘুরিয়ে দিলেন। কেবলার দিকে মুখ হলো। এই ঘোরানো অংশটি ভবনের বাইরের জ্যামিতিক সাম্যাবস্থা ভেঙে দেয়। স্থপতিদের মতে, এই সামান্য অসমতা ভবনটিকে জীবন্ত রূপ দিয়েছে।

কে এই লুই কান

লুই কান তার মা-বাবার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসিত হয়েছিলেন। পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে স্থাপত্যে স্নাতক হয়ে ফিলাডেলফিয়ায় তিনি তার কর্মজীবন শুরু হয়।

ফিলাডেলফিয়ার রিচার্ড মেডিকেল ল্যাবরেটরি নকশার মাধ্যমে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন। তার অন্য উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে আছে ইয়েল আর্ট গ্যালারি, কিমবেল আর্ট মিউজিয়াম, ভারতে আহমেদাবাদ ম্যানেজমেন্ট সেন্টার, নেপালে ফ্যামিলি প্লানিং সেন্টার ইত্যাদি।

জাতীয় সংসদ ভবনলুই আই কানস্থাপত্য
    শেয়ার করুন:
    ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা

    ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা

    ০৭ মে ২০২৬, ২৩:০২

    হাঁটুর চোটে প্রথম টেস্টে দর্শক বাবর

    হাঁটুর চোটে প্রথম টেস্টে দর্শক বাবর

    ০৭ মে ২০২৬, ২৩:১৩

    মুক্তিযুদ্ধে প্রেরণা জুগিয়েছিল রবীন্দ্রনাথের গান

    মুক্তিযুদ্ধে প্রেরণা জুগিয়েছিল রবীন্দ্রনাথের গান

    ০৭ মে ২০২৬, ২৩:১১

    থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    ০৭ মে ২০২৬, ২৩:০৩

    হিলিতে টাপেন্টাডলসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    হিলিতে টাপেন্টাডলসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    ০৭ মে ২০২৬, ২৩:৩৭

    গাজায় গণহত্যার অভিযোগ তোলা আলবানেজকে সম্মাননা দিল স্পেন

    গাজায় গণহত্যার অভিযোগ তোলা আলবানেজকে সম্মাননা দিল স্পেন

    ০৭ মে ২০২৬, ২২:৫৭

    তরমুজে ইঁদুরের বিষ, একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

    তরমুজে ইঁদুরের বিষ, একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

    ০৭ মে ২০২৬, ২২:৪৯

    ৬৫% আসামিকে ভোট দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ

    ৬৫% আসামিকে ভোট দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ

    ০৭ মে ২০২৬, ২২:৪১

    লাখো কৃষকের মাথায় হাত, লোকসান প্রায় ৯০০ কোটি টাকা

    লাখো কৃষকের মাথায় হাত, লোকসান প্রায় ৯০০ কোটি টাকা

    ০৬ মে ২০২৬, ২৩:৪৭

    পশ্চিমবঙ্গজয়ী শুভেন্দু অধিকারীর পিএসকে গুলি করে হত্যা

    পশ্চিমবঙ্গজয়ী শুভেন্দু অধিকারীর পিএসকে গুলি করে হত্যা

    ০৭ মে ২০২৬, ০০:১৭

    মরুপ্রান্তরে যে নারী লিখেছিলেন জীবনের মহাকাব্য

    মরুপ্রান্তরে যে নারী লিখেছিলেন জীবনের মহাকাব্য

    ০৭ মে ২০২৬, ২২:২৯

    যুদ্ধবিরতি ঘোষণা রাশিয়ার

    যুদ্ধবিরতি ঘোষণা রাশিয়ার

    ০৭ মে ২০২৬, ২২:৩০

    আশুলিয়ায় জিরানী ফুটওভার ব্রিজের সিঁড়ি বেহাল, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    আশুলিয়ায় জিরানী ফুটওভার ব্রিজের সিঁড়ি বেহাল, ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    ০৭ মে ২০২৬, ০০:০০

    রাজনৈতিক পালাবদলে কতটা নিরাপদ পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম সমাজ?

    রাজনৈতিক পালাবদলে কতটা নিরাপদ পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম সমাজ?

    ০৬ মে ২০২৬, ২৩:১৯

    রাবি থেকে ঢাবি যেতে কপি-পেস্ট গবেষণা

    রাবি থেকে ঢাবি যেতে কপি-পেস্ট গবেষণা

    ০৬ মে ২০২৬, ১২:৪৪

    advertiseadvertise