আগামীর সময়

রাষ্ট্রপতির ঈদ শুভেচ্ছা, দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

রাষ্ট্রপতির ঈদ শুভেচ্ছা, দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান

ফাইল ছবি

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশে। এ পরিস্থিতি তুলে ধরে দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ঈদের শুভেচ্ছাবার্তায় এ আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার রাষ্ট্রপতির ঈদ শুভেচ্ছার বাণী পৌঁছায় সংবাদমাধ্যমে।  

‘ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আমি দেশে ও প্রবাসে বসবাসকারী সকল বাংলাদেশি এবং সারা বিশ্বের মুসলমানদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মুমিন-মুসলমানগণ সকল অন্যায়, অবিচার ও পাপাচার হতে মুক্ত হয়ে উত্তম চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন ও পারলৌকিক মুক্তির প্রয়াস পায়। ঈদের দিনে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই এক কাতারে শামিল হন এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।’

শান্তি, সম্প্রীতি, সাম্য ও সৌহার্দ্যময় রাষ্ট্র গঠনে পবিত্র ঈদুল ফিতরের তাৎপর্য অপরিসীম বলে মন্তব্য করেন তিনি।

‘অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার শুভসূচনা ঘটেছে। একটি ন্যায়ভিত্তিক, সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের অভিযাত্রায় আমরা এগিয়ে চলেছি। এই নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের অভিযাত্রায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের শিক্ষা সকলের মাঝে নতুন উদ্যম ও অনুপ্রেরণা যোগাবে-এ প্রত্যাশা করি।’

এরপর বাংলাদেশে জ্বালানি সংকটের প্রভাব ও এ থেকে উত্তরণে সরকারের প্রচেষ্টার কথা বলেন মো. সাহাবুদ্দিন।

‘বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সংকটের অনাকাঙ্ক্ষিত অভিঘাত বাংলাদেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে। এসময় সমাজের বিত্তবান ও সচ্ছল শ্রেণিকে দরিদ্র ও পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর পাশে আরো দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি।’

বিশ্বের সব মানুষের জন্য প্রার্থনা করেন তিনি।

‘ঈদের অনাবিল আনন্দে সবার জীবন ভরে উঠুক। সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে যাক সবার ঘরে ঘরে। প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ, মুসলিম উম্মাহ ও বিশ্বের সকল মানুষের সুখ, শান্তি, কল্যাণ ও উত্তরোত্তর উন্নতির জন্য আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি।’

ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে আগামীকাল শনিবার (২০ মার্চ) বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন। এরপর বেলা ১১টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি।

ঈদ উপলক্ষ্যে বঙ্গভবনে প্রায় ৮ হাজার ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

    শেয়ার করুন: