স্থানীয় সরকার নির্বাচন
৪৫ দিনের প্রস্তুতি, ধাপে ধাপে ভোট আয়োজনের পরিকল্পনা ইসির

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন এবং পরিচালনার জন্য অন্তত ৪৫ দিনের প্রস্তুতির সময় প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী এই সময় কিছুটা কম-বেশি হতে পারে বলে জানান তিনি।
আজ মঙ্গলবার আগামীর সময়ের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানিয়েছেন।
আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, ‘সরকার আমাদের কাছে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আয়োজনের বিষয়ে জানতে চেয়ে চিঠি দিয়েছিল। আমরা তার উত্তর দিয়েছি।’
তার ভাষ্য অনুযায়ী, তারা সাধারণত ৪০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করতে পারে। তবে পূর্ণাঙ্গ নির্বাচনী কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সময়সীমা আরও দীর্ঘ হতে পারে, যা ধাপে ধাপে সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত গড়াতে পারে।
‘নির্বাচন আয়োজনের সময় নির্ধারণে শুধু প্রশাসনিক প্রস্তুতিই নয়, বিভিন্ন সামাজিক ও প্রাকৃতিক বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে পরীক্ষার সময়সূচি, ধর্মীয় উৎসব, আবহাওয়ার পরিস্থিতি এবং স্থানীয় সামাজিক কার্যক্রম।’— যোগ করেন নির্বাচন কমিশনার।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে শুরু হবে— এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘সরকারের সঙ্গে সমন্বয়ের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সরকার নির্দেশ দিলে প্রস্তুতি সম্পন্ন করে দ্রুত নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব।’
নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম ঈদুল ফিতরের পরপরই আয়োজন করতে; কিন্তু নানা বাস্তবতায় সেটা আর সম্ভব হয়নি। তবে আমরা মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।’
ইভিএমের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে রহমানেল মাছউদ জানালেন, আমরা আর কোনো নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করতে চাই না। নির্বাচনী কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি কোথায়, কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, সেটা আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। এগুলো মনিটরিং বা অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা যায় কি না, সেটাও দেখা হবে।
‘আমাদের উদ্দেশ্য কোনো ইকুইপমেন্ট নষ্ট করা বা ধ্বংস করা নয়। বরং এগুলোর ব্যবহারযোগ্য অংশ আছে কি না, সেটাই যাচাই করা হবে।’
তার ভাষ্য, বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে দেখা হবে, এর ভেতরের অংশ যেমন— ব্যাটারি, চিপ বা মাদারবোর্ড— এসব কোনোভাবে আবার ব্যবহার করা যায় কি না, সবকিছু বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।



