বাংলাদেশের বাজে ফিল্ডিংয়ে নিউজিল্যান্ডের ২৪৭

বোলিং ভালো হলেও ফিল্ডিংটা মোটেও ভালো হলো না টাইগারদের।
শুরু থেকেই দারুণ বোলিং করছিলেন বাংলাদেশের পেসাররা। তাদের আঁটসাট বোলিংয়ে হাঁসফাঁস অবস্থা ছিল কিউই ব্যাটারদের। কিন্তু ফিল্ডাররা যেন হাতে কোনো পিচ্ছিল পদার্থ মেখে নেমেছিলেন। তাই একাধিক ক্যাচ মিস আর মিসফিল্ডিংয়ের সুযোগটা ভালোই কাজে লাগিয়েছে তারুণ্যনির্ভর নিউজিল্যান্ড। পঞ্চাশ ওভার ব্যাট করে তুলেছে ৮ উইকেটে ২৪৭ রান।
আজ শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলায় টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ২১ রানে প্রথম উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। সপ্তম ওভারে শরীফুল ইসলামের একটি খাটো লেন্থের বল নিক কেলির (৭) ব্যাট ছুঁয়ে স্টাম্পে গিয়ে লাগে। ফিরতি ওভারে এসে আরেকটি উইকেট পেতে পারতেন শরীফুল। কিন্তু স্লিপে দেওয়া উইল ইয়ংয়ের সহজ ক্যাচ ছাড়েন সাইফ হাসান। নিকোলাসকে সঙ্গী করে জুটি গড়তে থাকেন ইয়ং।
২০তম ওভারে নাহিদ রানার বলে নিকোলাসকে এলবিডাব্লিউ দিয়েছিলেন আম্পায়ার। তবে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান নিকোলাস। পরের ওভারে ওভারথ্রো থেকে তানজিদের পায়ের তলা দিয়ে বল পেরিয়ে যায় সীমানা। ২২তম ওভারে একশ পেরিয়ে যায় কিউইদের স্কোর। সেই ওভারেই রিশাদ হোসেনকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে তানজিদের হাতে ধরা পড়েন ৪২ বলে ৩০ রান করা ইয়ং। ভাঙে ৭৩ রানের জুটি।
২৭তম ওভারে কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথামকে (১৪) বোল্ড করে দেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী মিরাজ। এর আগেই ৬৫ বলে ফিফটি পূরণ করেন নিকোলাস। এরপর দারুণ ব্যাটিং করছিলেন। কিউই ওপেনারের ৮৩ বলে ৬৮ রানের ইনিংসটি থামে রিশাদ হোসেনের বলে লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি হয়ে। এরপর মুহাম্মদ আব্বাসকে (১৪) ফিরিয়ে কিউইদের ইনিংসের অর্ধেক শেষ করে দেন শরীফুল।
৫৮ বলে ৫৯ রান করে ফেলা ডিন ফক্সক্রফট ২৮ রানে জীবন পেয়েছিলেন। সেই স্লিপে তার ক্যাচ ফেলেন তানজিদ। ৪২তম ওভারে এসে উইকেটের দেখা পান তাসকিন। তার দ্বিতীয় বলে বোল্ড হয়ে যান ক্লার্কসন (৮)। ৪৭তম ওভারে এসে ফক্সক্রফটকে বোল্ড করে ফেরান নাহিদ রানা। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভার ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৪৭ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম এবং রিশাদ হোসেন। একটি করে নিয়েছেন মেহেদী মিরাজ ও নাহিদ রানা।



