পিএসজির মাঠে বিবর্ণ লিভারপুল

লিভারপুলকে পাত্তাই দেয়নি পিএসজি। ছবি: সংগৃহীত
পিএসজির মাঠ পার্ক দে প্রিন্সেসে বিবর্ণই ছিল লিভারপুল। পুরো ম্যাচে একটাও শট লক্ষ্যে রাখতে পারেনি মোহাম্মদ সালাহকে বেঞ্চে বসিয়ে খেলা দলটি। ৭৪ শতাংশ বলের দখল নিয়ে খেলা পিএসজি চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগটা জিতেছে ২-০ গোলে।
ফল
পিএসজি ২ : ০ লিভারপুল
একটি করে গোল দেজিরে দুয়ে ও নতুন ম্যারাডোনাখ্যাত খিচা কাভারাস্কেইয়ার। লিভারপুল গোলরক্ষক গিওর্গি মামারদাশভিলি দুর্দান্ত কটি সেভ না করলে আরও বড় ব্যবধানে হারতে পারত তারা।
এ ছাড়া উসমান দেম্বেলে একাই মিস করেন তিনটি গোল! ৫৩ মিনিটে গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল গোলপোস্টের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন তিনি।
এই জয়ে সেমিফাইনালের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। শেষ চারের জন্য ফিরতি লেগে বিশেষ কিছু করতে হবে লিভারপুলকে। ২০১৯ সালের সেমিফাইনালে বার্সেলোনার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হারলেও অ্যানফিল্ডে ৪-০ গোলে জিতেছিল অলরেডরা। সেই জয়টা অনুপ্রেরণা হতে পারে তাদের।
শনিবার এফএ কাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে ৪-০ গোলে হারের রেশটা পিএসজির মাঠেও কাটাতে পারেনি লিভারপুল। শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবলে তাদের কোনঠাসা করে রাখে পিএসজি। ১১ মিনিটে এগিয়েও যায় লুইস এনরিকের দল। উসমানে দেম্বেলের পাসে দেজেরি দুয়ের নেওয়া শট ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক বদলে জড়ায় জালে।
৬৫তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কাভারাস্কেইয়া। বাঁ পাশের সাইডলাইন জোয়াও নেভেসের বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নেন তিনি। এরপর, পেছন থেকে একজনের বাধা সামলে গোলরক্ষককে কাটিয়ে গোলটি করেন এই জর্জিয়ান উইঙ্গার। এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে এটা তার অষ্টম গোল।
পুরো ম্যাচে ৭৪ শতাংশ বলের দখল রেখে পোস্টে ১৮ শট নিয়ে ৬টি লক্ষ্যে রেখেছিল পিএসজি। তাররও কেবল ২ গোল পাওয়ায় ম্যাচ শেষে কিছুটা হতাশাই জানালেন কাভারাস্কেইয়া. ‘আমাদের আরও বেশি গোলে জেতা উচিত ছিল।’



