ঘরের মাঠে রেকর্ড টানা ১৬ জয়ে শিরোপার দুয়ারে বার্সা

রিয়ালের চেয়ে ৯ পয়েন্টে এগিয়ে বার্সা। ছবি: সংগৃহীত
কাতালান ডার্বিতে এস্পানিওলকে ৪-১ গোলে হারাল বার্সেলোনা। রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে ৯ পয়েন্টে এগিয়ে লা লিগার শিরোপার দুয়ারেও পৌঁছে গেছে তারা। ফেরান তোরেস করেন জোড়া গোল। একবার করে লক্ষ্যভেদ করেছেন লামিনে ইয়ামাল ও মার্কাস রাশফোর্ড।
৩১ ম্যাচে ৭৯ পয়েন্ট হান্সি ফ্লিকের বার্সেলোনা সুসংহত করল লা লিগার শীর্ষস্থান। সমান ম্যাচে ৭০ পয়েন্ট চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল আছে দুইয়ে। সেভিয়ার কাছে ২-১ গোলে হেরে যাওয়া আতলেতিকো মাদ্রিদ ৫৭ পয়েন্ট নিয়ে আছে চারে।
শিরোপার এত কাছে থেকেও পা মাটিতে রাখছেন কোচ হান্সি ফ্লিক, ‘৯ পয়েন্টে এগিয়ে যাওয়াটা অসাধারণ। বাস্তবতা হচ্ছে এখনও আমরা চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাইনি।’
এবারের লা লিগায় ঘরের মাঠে এটা টানা ১৬ ম্যাচে ১৬তম জয় বার্সার। ৩৮ ম্যাচের লিগে আগে কখনও টানা ১৬ ম্যাচ জেতেনি তারা। এবার বার্সেলোনা ঘরের মাঠে খেলেছে তিনটি স্টেডিয়ামে। মন্তজুইসে হারিয়েছে সোসিয়েদাদ, জিরোনা আর এলচেকে। ইয়োহান ক্রইফ স্টেডিয়ামে হারিয়েছে ভ্যালেন্সিয়া ও গেতাফেকে। বাকি ১১ জয় এসেছে ক্যাম্প ন্যুতে।
বয়স ১৯ হওয়ার আগে স্পেনের শীর্ষ লিগে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে শততম ম্যাচ খেললেন ইয়ামাল। রাউল গন্সালেস ১০০ ম্যাচ খেলেন ১৯ বছর ২৮৪ দিন বয়সে। ইয়ামাল তাকে ছাড়িয়ে গেলেন ১৮ বছর ২৭২ দিন বয়সে। এক গোল আর দুটি অ্যাসিস্ট করে উপলক্ষ্যটা রাঙিয়েছেন ইয়ামাল।
দশম মিনিটে ইয়ামালের বাঁকানো প্রথম কর্নার থেকে হেডে জাল খুঁজে নেন তোরেস। ২৫তম মিনিটে ইয়ামালের বাড়ানো শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি। ৫৫তম মিনিটে ডি বক্সের বাইরে থেকে গতিময় শটে এক গোল ফেরান লোসানো। এরপর বার্সাকে ভালোই চাপে রেখেছিল এস্পানিওল।
৮৭তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণে ব্যবধান বাড়ান ইয়ামাল। দুই মিনিট পর আরেকটি প্রতি আক্রমণে ফ্রেংকি ডি ইয়ংয়ের পাসে ব্যবধান ৪-১ করেন রাশফোর্ড।



