‘অন্যায়’ মেনে নিয়ে প্রত্যাবর্তনের আশায় বার্সা

লাল কার্ড দেখেছেন পাউ কুবারসি। ছবি: সংগৃহীত
চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ক্যাম্প ন্যুতে অপ্রত্যাশিত হোঁচট খেল বার্সেলোনা। আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে ২-০ গোলে হেরে সেমিফাইনালের অভিযান কঠিন এখন কাতালানদের। ম্যাচ হেরে বার্সা কোচ হানসি ফ্লিক ক্ষোভটা ঝাড়লেন জার্মান রেফারি ইস্তেভান কোভাচের ওপর।
পাউ কুবারসির সরাসরি লাল কার্ড দেখা, ডি বক্সের ভেতর ‘হ্যান্ডবল’ করেও আতলেতিকোর মার্ক পুবিলের কার্ড না দেখা ও পেনাল্টি না পাওয়া; দুই ইস্যুতেই চটেছেন ফ্লিক।
ম্যাচের ৪৩ মিনিটে ফাউল করে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখেন কুবারসি। পরে অবশ্য ভিএআরের সাহায্য নিয়ে কুবারসিকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি কোভাচ।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৪ মিনিটে আসে আরেকটি বিতর্কিত মুহূর্ত। আতলেতিকো গোলরক্ষক হুয়ান মুসোর বাড়ানো একটি বল নিজে কিক নেওয়ার জন্য হাত দিয়ে থামান ডিফেন্ডার পুবিল। ফ্লিকের মতে, এটি স্পষ্ট হ্যান্ডবল। এর জন্য পুবিলের লাল কার্ড ও বার্সার পেনাল্টি, দুটিই পাওয়া উচিত ছিল।
রেফারিং নিয়ে বিরক্ত ফ্লিক জানালেন, তাদের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে, ‘গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডার এরকম করলে কী হয় সেটা আমার জানা নেই। আমার হিসেবে তো পেনাল্টিই হওয়া উচিত! শুধু তাই নয়, ওই ডিফেন্ডারের লাল কার্ডও প্রাপ্য। ভিএআরের সাহায্য নিলে অবশ্যই সেটা হতো। আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না যে পুবিলকে কার্ড দেখানো হয়নি। এটা অন্যায়। তবে সেটা মেনে নেই এগোতে হবে।‘
ওয়ান্দা মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে দুই গোলে পিছিয়ে থেকে মাঠে নামবে বার্সা। প্রতিপক্ষের মাঠে কি ৩ গোল দিয়ে প্রত্যাবর্তন করতে পারবেন ইয়ামালরা? এই মাঠেই এবারের কোপা দেল রেতে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল বার্সা। ঘুরে দাঁড়াতে তাই মেত্রোপলিতানোয় ‘মিরাকল’ কিছু করতে হবে।
ফ্লিক অবশ্য হাল ছাড়ছেন না, ‘তাদের ভালো মানের স্ট্রাইকার আছে, তারা দুই গোল করেছে। আমরা জানি ডিফেন্ডিং করা সহজ হবে না। আমরা লাল কার্ড দেখার পর থেকেই পিছিয়ে পড়েছি। এখন পরের লেগের দিকেই সব মনোযোগ দিতে হবে। আশা করছি সেই ম্যাচে আমরা ঘুরে দাঁড়িয়ে সেমিতে যেতে পারব।’



