২৫ বছর পর বার্নাব্যু দুর্গ জয় বায়ার্নের

লুইস দিয়াস ও হ্যারি কেইনের গোলে জিতেছে বায়ার্ন। ছবি: সংগৃহীত
রিয়াল মাদ্রিদের ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যু দুর্গই ছিল বায়ার্ন মিউনিখের জন্য। মৃত্যুকূপ হয়ে ওঠা এই মাঠে সবশেষ ২০০১ সালে চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ১-০ গোলে জিতেছিল বায়ার্ন। পরের গল্পটা শুধুই হতাশার।
২৫ বছর পর আবারও বার্নাব্যু দুর্গ জয় করল বাভারিয়ানরা। রিয়ালকে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে হারাল ২-১ গোলে। বিরতির আগেই লুইস দিয়াস ও হ্যারি কেইনের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল বায়ার্ন।
রিয়ালের হয়ে ব্যবধান কমান কিলিয়ান এমবাপ্পে। রিয়ালের বিপক্ষে ৯ ম্যাচ পর এটা প্রথম জয় বায়ার্ন মিউনিখের। সবশেষ ২০১১-১২ মৌসুমে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে নিজেদের মাঠে বায়ার্ন ২-১ গোলে হারিয়েছিল রিয়ালকে। মঙ্গলবারও ব্যবধান একই ছিল। সেমিফাইনালে খেলতে ফিরতি লেগে বায়ার্নের মাঠে ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে রিয়ালকে।
উপভোগ্য ম্যাচটিতে দুই দলই পোস্টে শট নিয়েছিল সমান ২০টি করে। রিয়ালের লক্ষ্যে ছিল ৯টি, বায়ার্নের ৮টি। অসংখ্য সুযোগ নষ্ট না হলে ম্যাচে গোল হতে পারত আরও বেশি।
অষ্টম মিনিটে রিয়ালের ডি-বক্সে ফেদেরিকো ভালভের্দের হাতে বল লাগলেও, হাত শরীরের সোজা থাকায় পেনাল্টি দেননি রেফারি। পরের মিনিটেই গোলরক্ষক আন্দ্রেই লুনিনকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি দায়ত উপমেকানো।
১৬তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের শট পা দিয়ে আটকান বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়াল নয়্যার। এর দুই মিনিট পর, ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের জোরাল শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান ম্যাচে মো ৯টি সেভ করা নয়্যার।
৪১তম মিনিটে জিনাব্রির ছোট থ্রু পাস ডি-বক্সে ধরেই নিখুঁত শটে গোল করে বায়ার্নকে এগিয়ে দেন লুইস দিয়াস। চোট কাটিয়ে ফেরা হ্যারি কেইন ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ৪৫তম মিনিটে। মাইকেল ওলিসের পাস ডি-বক্সের বাইরে ফাঁকায় পেয়ে প্রথম ছোঁয়ার জাল খুঁজে নেন কেইন। এই মৌসুমে এটা তার ৪১ ম্যাচে ৪৯তম গোল।
৫৭তম মিনিটে বল কেড়ে নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে নেওয়া কেইনের শট পা বাড়িয়ে ভালভের্দে না ঠেকালে ম্যাচের উত্তেজনা শেষ হতে পারত তখনই। ৬১তম মিনিটে উপমেকানোর নয়্যারকে একা পেয়েও সুযোগ নষ্ট করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
৭৫ মিনিটে আর ভুল করেননি কিলিয়ান এমবাপ্পে। ট্রেন্ট আলেক্সান্দার-আরনল্ডের পাস পেয়ে ব্যবধান ২-১ করেন তিনি। এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে এ নিয়ে ১৪ গোল করলেন এমবাপ্পে। রিয়ালকে সেমিফাইনালে নিতে আগামী বুধবার ফিরতি লেগে জ্বলে উঠতে হবে তাকে।



