১ বিলিয়ন মূল্যের একাদশ, যাদের বিশ্বকাপ খেলা হবে না

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাচ্ছেন একের পর এক তারকা।
২০২৬ বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি মাত্র পাঁচ সপ্তাহ। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায় বসতে যাওয়া ফুটবলের এই মহাযজ্ঞ ঘিরে বিশ্বজুড়ে উন্মাদনা তুঙ্গে। তবে এই আসরের চাকচিক্যে বড় এক ধাক্কা হয়ে আসছে একঝাঁক তারকার অনুপস্থিতি। ইনজুরি আর বাছাইপর্বের বৈতরণী পার হতে না পেরে মাঠের বাইরে থাকছেন এমন এক একাদশ সাজানো হয়েছে, যার সম্মিলিত বাজারমূল্য শুনলে চোখ কপালে উঠবে—প্রায় ১ বিলিয়ন পাউন্ড!
স্পোর্টিংপিডিয়া’র বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এবারের বিশ্বকাপে না থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে দামি লিভারপুলের হাঙ্গেরিয়ান মিডফিল্ডার ডমিনিক সোবোসলাই। ৮৬ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের এই তারকাকে ছাড়াই লড়তে হবে হাঙ্গেরিকে। এছাড়া লিভারপুলের আরেক ফরাসি তারকা হুগো একিটিকে (৭৮ মিলিয়ন পাউন্ড) অ্যাকিলিস ইনজুরির কারণে ফ্রান্সের স্কোয়াড থেকে ছিটকে গেছেন।
পিএসজির জর্জিয়ান জাদুকর খিচা কোয়ারাসখেলিয়া (৭৮ মিলিয়ন পাউন্ড) এবার কেবল সোফায় বসেই খেলা দেখবেন। তার দল জর্জিয়া বাছাইপর্বের বাধা টপকাতে পারেনি। একই পরিণতি হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালির। প্লে-অফে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কাছে হেরে আজ্জুরিদের বিদায়ের ফলে নিউক্যাসেল তারকা সান্দ্রো টোনালি (৬৯ মিলিয়ন পাউন্ড) এবং জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মাদের মতো তারকাদের দেখা যাবে না উত্তর আমেরিকার মাঠে।
বিশ্বকাপের ঠিক আগমুহূর্তে ইনজুরি কেড়ে নিয়েছে অনেক ফুটবলারের স্বপ্ন। রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তারকা রদ্রিগো (৪৩ মিলিয়ন পাউন্ড) এসিএল ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে। নেদারল্যান্ডসের হয়ে চমৎকার ফর্মে থাকা টটেনহ্যামের জাভি সিমন্সও (৪৩ মিলিয়ন পাউন্ড) হাঁটুর ইনজুরিতে পড়ে ছিটকে গেছেন। এছাড়া ঘানার মোহাম্মদ কুদুস ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপে দলের সঙ্গী হতে পারছেন না।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ব্রায়ান এমবিউমো (ক্যামেরুন), গালাতাসারের ভিক্টর ওসিমেন (নাইজেরিয়া), এবং ডেনমার্কের রাসমাস হজলুন্দও থাকছেন না এবারের আসরে। ইতালির বড় এক বহর—নিকোলো বারেল্লা, ফেদেরিকো ডিমারকো এবং রিকার্ডো কালাফিওরিরাও দর্শক হয়েই থাকবেন।
স্পেনের বিস্ময়বালক লামিন ইয়ামাল হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়লেও তাকে নিয়ে আশাবাদী স্প্যানিশ কোচ। তবে সব মিলিয়ে ১ বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের এই একাদশ প্রমাণ করে, অনেক নক্ষত্র ছাড়াই শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৬-এর ফুটবল মহোৎসব। মাঠের লড়াইয়ে হয়তো নতুন কোনো তারকা জন্ম নেবে, কিন্তু এই সেরাদের অভাব ফুটবল প্রেমীরা প্রতি ম্যাচেই অনুভব করবেন।





