দলে না থাকলেও ব্রাজিলের জন্য গলা ফাটাবেন নেইমার

কার্লো আনচেলত্তিকে কি খুশি করতে পারলেন নেইমার? ব্রাজিলের সামনের দুই প্রীতি ম্যাচের জন্য দল ঘোষণার আগে সর্বশেষ ম্যাচ খেললেন সান্তোস ফরোয়ার্ড। সাদামাটা পারফরম্যান্সে ব্রাজিল কোচের মনে কতটা দাগ কাটতে পেরেছেন সেটা সময়ই বলবে। নেইমারও জানেন, দলে জায়গা পাওয়াটা তার ওপর নির্ভর করছে না। তবে স্কোয়াডে থাকতে পারেন, না পারেন- ব্রাজিলের জন্য তিনি গলা ফাটাবেন।
চলতি মাসে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের দুটি ম্যাচ। যুক্তরাষ্ট্রে হতে যাওয়া এই দুই প্রীতি ম্যাচের জন্য সোমবার চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবেন আনচেলত্তি। নেইমার প্রাথমিক দলে আছেন। এখন চূড়ান্ত দলে সুযোগের অপেক্ষায়।
এজন্য সান্তোসের জার্সিতে নজরকাড়া পারফরম্যান্স প্রয়োজন ছিল নেইমারের। দল ঘোষণা আগে শেষ ম্যাচে খুব একটা আলো ছড়াতে পারেননি এই ফরোয়ার্ড। একারণেই কিনা জোর গলায় দলে থাকার দাবি জানাতে পারলেন না নেইমার। ম্যাচ শেষে জানালেন, জাতীয় দলে খেলতে তিনি উদগ্রীব হয়ে আছেন, তবে সিদ্ধান্ত তার হাতে নেই।
২০২৩ সালের অক্টোবরে সর্বশেষ ব্রাজিলের জার্সিতে খেলা নেইমারের বক্তব্য, “আমি চাই ব্রাজিল দলে ফিরতে, বিশ্বকাপ খেলতে। তবে এই বিষয়টা আমার ওপর নেই। আমি সেখানে (ব্রাজিল দলে) থাকি না থাকি, ব্রাজিলের জন্য সবসময় গলা ফাটাব।”
করিন্থিয়ান্সের বিপক্ষে সান্তোসের ম্যাচটি ড্র হয়েছে। ভিলা বেলমিরো স্টেডিয়ামের ম্যাচে আনচেলত্তি ছিলেন না। ছিলেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের দুই কর্মকর্তা। তাদের সামনে নেইমারের সেরা পারফরম্যান্স হলো- একটিমাত্র হেড পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যাওয়া। এছাড়া বল পায়ে তেমন কিছু করতে পারেননি। যার প্রমাণ গোলমুখে কোনও শট নেই নেইমারের।
এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র। সেখানেই ইউরোপের দুই শক্তিশালী ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার মুখোমুখি ব্রাজিল। এই দুই ম্যাচ দেখেই বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবেন আনচেলত্তি।
ইতালিয়ান কোচ অবশ্য আগেই জানিয়ে রেখেছেন, ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেতে হলে শতভাগ ফিট থাকতে হবে। তিনি অবশ্য এটাও বলে রেখেছেন, কিছু খেলোয়াড়কে কোনও পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে না। আনচেলত্তির এই বার্তাটাই আশা জাগাচ্ছে নেইমারকে।

