এবার রূপকথা হয়নি অ্যানফিল্ডে

দেম্বেলের জোড়া গোলে লিভারপুলকে হারিয়েছে পিএসজি। ছবি: সংগৃহীত
১৯৮৯ সালের ১৫ এপ্রিল শেফিল্ড ওয়েনসডের হিলসবোরো স্টেডিয়ামে পদপিষ্ট হয়ে মারা যান লিভারপুলের ৯৭ সমর্থক। সেই ট্র্যাজেডির ৩৭তম বার্ষিকীর আগের দিন আরেক ট্র্যাজেডি ঘটল লিভারপুলে। আজ চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে ছিটকে পড়লেন মোহাম্মদ সালাহরা।
অ্যানফিল্ডে বারবার রূপকথার প্রত্যাবর্তন দেখিয়েছে লিভারপুল। তবে এবার চ্যাম্পিয়নস লিগে সেটা হয়নি। কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে লিভারপুল ২-০ গোলে হেরেছিল পিএসজির মাঠে। আজ অ্যানফিল্ডে ফিরতি লেগেও একই ব্যবধানে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের কাছে হেরেছে তারা।
ফল
লিভারপুল ০ : ২ পিএসজি
দুই লেগ মিলিয়ে পিএসজি এগিয়ে ৪-০ গোলে
২-০ ব্যবধানের জয়ে পিএসজির দুটি গোলই করেছেন উসমান দেম্বেলে। এই জয়ে দুই লেগ মিলিয়ে ৪-০’তে এগিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট পেল লুইস এনরিকের দল।
জয়ের জন্য মরিয়া লিভারপুল গোলের জন্য পোস্টে ২১টা শট নিয়েছিল। তবে লক্ষ্যে ছিল ৫টি। সেখানে পোস্টে ১২টি শট নিয়ে পিএসজি লক্ষ্যে রাখে ৬টি আর গোল পায় ২টি।
ম্যাচের আধা ঘণ্টা না হতেই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন উগো একিটিকে। বদলি নামেন মোহামেদ সালাহ। মাঠে নামার কিছুক্ষণ পরই সালাহর ডি-বক্সে বাড়ানো ক্রসে গোল পেতে পারত লিভারপুল। সেই বলে পা ছোঁয়ান মিলোস কেরকেস কিন্তু ঝাঁপিয়ে ঠেকান পিএসজি গোলরক্ষক। ফিরতি বলে ভার্জিল ফন ডাইকের শট স্লাইড করে দলকে বাঁচান মার্কিনিয়োস।
৬৪তম মিনিটে ডি-বক্সে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার পড়ে গেলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি, তবে মনিটরে দেখে সিদ্ধান্ত বদলান তিনি। লিভারপুলের একের পর এক আক্রমণের মাঝে ৭২ মিনিটে পিএসজিকে এগিয়ে দেন উসমান দেম্বেলে।
বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার নিখুঁত শট জড়ায় জালে।
যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে বার্কোলার পাস ডি-বক্সে ফাঁকায় পেয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন দেম্বেলেই। তাতে নিশ্চিত হয়ে যায় লিভারপুলের বিদায় আর পিএসজির সেমিফাইনাল।



