চ্যাম্পিয়নস লিগ
ইতিহাস গড়ে ২০ বছর পর ফাইনালে আর্সেনাল

২০০৬ সালের পর চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে আর্সেনাল। ছবি: সংগৃহীত
উৎসবে ভাসল এমিরেটস স্টেডিয়াম। ২০ বছরের একটা আক্ষেপ যে দূর করেছে মিকেল আর্তেতার দল। সবশেষ ২০০৬ চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল খেলেছিল আর্সেনাল। ২০ বছর পর আবারও শিরোপার মঞ্চে লন্ডনের এই ক্লাব।
ফল
আর্সেনাল ১-০ আতলেতিকো মাদ্রিদ
(দুই লেগ মিলিয়ে আর্সেনাল ২-১ গোলে জয়ী)
সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে আর্সেনাল ১-০ গোলে হারিয়েছে আতলেতিকো মাদ্রিদকে। একমাত্র গোলটি বুকায়ো সাকার। প্রথম লেগ ১-১ সমতায় থাকায় দুই লেগ মিলিয়ে গানারদের জয় ২-১ ব্যবধানে। এই জয়ে নতুন ইতিহাসও গড়েছে ইংলিশ ক্লাবটি।
এবারের আসরে ১৪ ম্যাচের ৯টিতে জাল অক্ষত রেখেছে আর্সেনাল। চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে এক মৌসুমে এত বেশি ম্যাচ ক্লিন শিট ছিল না কারও। এছাড়া চ্যাম্পিয়নস লিগে ১৪ ম্যাচে একটিও হারেনি আর্সেনাল, যা ক্লাবটির রেকর্ড। এর আগে ২০০৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০০৬ সালের মে পর্যন্ত তারা অপরাজিত ছিল টানা ১৩ ম্যাচ।
লিগ পর্বের দেখায় এমিরেটসে ৪-০ গোলে আতলেতিকোকে হারিয়েছিল আর্সেনাল। সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আতলেতিকো কৌশল নেয় ঘর সামলে প্রতি-আক্রমণ শাণানোর। ৪৩ মিনিট পর্যন্ত ক্ষণ জমাট রাখতেও পেরেছিল তারা।
এই সময়ে আর্সেনালের বলের দখল বেশি থাকলেও লক্ষ্যে শট নিতে পারেনি একটাও! পারেনি আতলেতিকোও। গোল খরাটা কাটে ৪৪ মিনিটে। ভিক্টর গিওকেরেসের বাড়ানো বল কোনাকুনি শট নিয়েছিলেন লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ড যা বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে প্রতিহত করেন আতলেতিকো গোলকিপার ইয়ান ও’ব্লাক। তবে ফিরতি শট জালে জড়ান বুকায়ো সাকা। উৎসবের ঢেউ উঠে গ্যালারিতে।
৫১তম মিনিটে সেই ঢেউ থামানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি আতলেতিকো। জুলিয়ানো সিমেওনে গোলরক্ষককে কাটিয়ে সামনে পেয়েছিলেন ফাঁকা জাল। শট নিতে দেরি করায় আর্সেনালকে বাঁচান গাব্রিয়েল মাগালিয়াইস। কিছুক্ষণ পর গ্রিজমানের শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান গোলরক্ষক দাভিদ রায়া।
৮৩তম মিনিটে আলেকসান্দার সরলথ ডি-বক্সে ফাঁকায় বল পেয়েও সুযোগ নষ্ট করায় হৃদয় ভাঙে আতলেতিকোর।





