বাড়ছে বিশ্বকাপের প্রাইজমানি, বাড়তি টাকা পাবে বাংলাদেশও

বিশ্বকাপের প্রাইজমানি বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত
গত বছরের ডিসেম্বরে বিশ্বকাপের জন্য রেকর্ড ৭২৭ মিলিয়ন ডলারের অর্থ পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। বাংলাদেশি মুদ্রায় অঙ্কটা প্রায় ৮৯০৬ কোটি টাকা। ৪৮টি অংশগ্রহণকারী দলের সবাই অন্তত পাওয়ার কথা ১ কোটি ৫ লাখ ডলার (১২৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা) আর চ্যাম্পিয়ন দলের জন্য বরাদ্দ ছিল ৫ কোটি ডলার (৬১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা)।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় হতে যাওয়া বিশ্বকাপে এত বেশি প্রাইজমানির পরও কিছু দল আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছে। এই বিশ্বকাপের খরচ ২০২২ কাতার ফুটবল বিশ্বকাপের চেয়ে অনেক বেশি বলেই এমন শঙ্কা। দলগুলোর দাবিতে অর্থ-পুরস্কার বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে ফিফা। আগামীকাল ভ্যাঙ্কুভারে ফিফা কাউন্সিলের বৈঠকে বাড়তি প্রাইজমানি ও বর্ধিত তহবিল অনুমোদিত হবে।
গার্ডিয়ান, অ্যাথলেটিসহ আরও কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম আগেই জানিয়েছিল প্রাইজমানি বাড়ানোর কথা। সেটাই প্রেস অ্যাসোসিয়েশনের কাছে জানালেন ফিফার এক মুখপাত্র, ‘এবারের বিশ্বকাপ পুরো বিশ্ব ফুটবলের জন্য যুগান্তকারী হতে যাচ্ছে। আলোচনার পর বিস্তারিত পরে জানানো হবে। এই আলোচনায় ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সব দলের আর্থিক অনুদান ও ২১১ সদস্য দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের জন্য উন্নয়ন তহবিল বাড়ানোর প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’
এর অর্থ বাড়তি টাকা পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশও। কারণ ফিফার ২১১টি সদস্য দেশকে দেওয়া উন্নয়ন তহবিলের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে, যা আগামী চার বছরের চক্রে বিতরণের জন্য পূর্ব-নির্ধারিত ২.৭ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়বে। আগের উন্নয়ন তহবিল থেকে বাংলাদেশসহ ফিফার অন্য সদস্যদের জন্য অন্তত ৫ মিলিয়ন ডলার পাওয়াটা নিশ্চিত ছিল। সেই অঙ্ক বাড়তে যাচ্ছে আরও।
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপসহ চার বছরের এই চক্রে ১৩ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ফিফা। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ১ লাখ ৫৯ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা। যেখানে এই ফুটবল বিশ্বকাপ থেকেই আয় হবে ৯ বিলিয়ন ডলার (১ লাখ ১০ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা)।



