৫ গোল খেয়েও ডিফেন্ডারদের প্রশংসায় কোম্পানি-কেইন

পিএসজির কাছে হারলেও হাল ছাড়ছেন না কোম্পানি। ছবি: সংগৃহীত
এমন একটা ম্যাচেই কিনা ডাগআউটে থাকা হয়নি ভিনসেন্ট কোম্পানির! তিনটা হলুদ কার্ড থাকায় চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের প্রথম লেগে গ্যালারি থেকে দেখতে হয়েছে তাকে।
সেই আফসোসের চেয়ে বড় হতাশা ম্যাচটা হেরে যাওয়ায়। অন্তত আরও ২-৩ গোল করতে না পারার আক্ষেপ ম্যাচ শেষে জানিয়েছেন কোম্পানি,‘এমন মানসিকতার দুটি দল মুখোমুখি হলে এরকম কিছু ঘটতেই পারে (ম্যাচে ৯ গোল)। আমার মনে হয়, আমরা আরও দুই-তিনটি গোল করতে পারতাম।’
প্রতিপক্ষের মাঠে ৫ গোল হজম করলে সাধারণত বিদায় ঘণ্টা বেজে যায়। তবে এত বেশি গোল খেয়েও টিকে থাকায় সন্তুষ্ট কোম্পানি,‘আমরা ভুগেছি কিন্তু আমরা বিপজ্জনক ছিলাম। চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রতিপক্ষের মাঠে পাঁচ গোল হজম করলে সাধারণত প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়তে হয়। তারপরও আমরা টিকে আছি। আমরা যে সুযোগগুলো পেয়েছিলাম, তা বিশ্বাস জুগিয়েছে।’
রক্ষণের খেলোয়াড়দের আগলে রাখতে কোম্পানি প্রশংসায় করলেন তাদেরও,‘আমি অনেক ভালো রক্ষণ দেখেছি, কিন্তু খেলাটা খুবই সূক্ষ্ম ব্যবধানের, হয় আপনি লড়াইয়ে পুরোপুরি ঝাঁপিয়ে পড়বেন, অথবা পুরোপুরি পিছু হটবেন। এই মানের খেলোয়াড়দের বিপক্ষে মাঝামাঝি কোনো অবস্থান কাজে আসে না।’
১৯৯৪-৯৫ মৌসুমের পর এই প্রতিযোগিতায় বায়ার্ন প্রথমবারের মতো পাঁচ গোল হজম করেছে। তারপরও দলের তারকা হ্যারি কেইন প্রশংসা করেছেন রক্ষণের,‘অসাধারণ একটা ম্যাচ। আমাদের ডিফেন্ডাররাও ভালো করেছে। আমরা মাঠে দুটি উচ্চ মানের দল দেখেছি, বিশেষ করে আক্রমণাত্মক খেলা এবং পাল্টা আক্রমণে। গতি এবং এক বনাম এক লড়াইয়ের তীব্রতায়।।’
কেইন আর কোম্পানি রক্ষণের প্রশংসা করলেও উল্টো সুর ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ওয়েইন রুনির কণ্ঠে,‘আমি হ্যারি কেইনকে ভালোবাসি, কিন্তু তার পক্ষে কোনোভাবেই তার ডিফেন্ডারদের প্রশংসা করা সম্ভব নয়। দুই দলের রক্ষণভাগই খুব খারাপ ছিল, আমার মনে হয় কেইন এক্ষেত্রে বিনয়ী মন্তব্য করেছে।’




