চ্যাম্পিয়নস লিগ
নিউক্যাসলকে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বার্সেলোনা

জোড়া গোল করেছেন রবার্ত লেভানদোভস্কি। ছবি: উয়েফা
প্রথমার্ধে লড়াই হলো সমানে সমান। নিউক্যাসলকে এগিয়েই রাখা উচিত। কারণ বার্সেলোনার মাঠে গিয়ে দু-দুবার সমতায় ফেরে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে খেলা হলো একপেশে। যেখানে কেবলই বার্সেলোনার দাপট। ঘরের মাঠে নিউক্যাসলকে গোলবন্যায় ভাসিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে কাতালানরা।
বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে নিউক্যাসলকে ৭-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বার্সেলোনা। জোড়া গোল করেছেন রাফিনিয়া ও রবার্ত লেভানদোভস্কি। আর একবার করে জাল খুঁজে নিয়েছেন মার্ক বের্নাল, লামিন ইয়ামাল ও ফেরমিন লোপেজ। তাতে দুই লেগ মিলিয়ে ৮-৩ অগ্রগামিতায় শেষ আটে পৌঁছে গেছে হান্সি ফ্লিকের দল।
চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে বার্সেলোনার ৭ গোল দেওয়ার দ্বিতীয় উদাহরণ এটি। এর আগে ২০১১-১২ মৌসুমে বেয়ার লেভারকুসেনের বিপক্ষে ৭-১ গোলে জিতেছিল কাতালানরা।
নিউক্যাসলের মাঠ থেকে ১-১ গোলের ড্র নিয়ে ফিরেছিল বার্সেলোনা। ঘরের মাঠের ফিরতি লেগের শুরুতেই গোল পেয়ে যায় তারা। ষষ্ঠ মিনিটে জাল খুঁজে নেন রাফিনিয়া। যদিও লিড ধরে রাখতে পারেনি। ১৫ মিনিটে ইংলিশ ক্লাবটিকে সমতায় ফেরান অ্যান্থনি এলেঙ্গা।
দ্বিতীয়বার এগিয়ে যেতে কাতালানদের লেগেছে মোটে ৩ মিনিট। ১৮ মিনিটে লক্ষ্যভেদ করেন বের্নাল। চমক দেখিয়ে ওই এলেঙ্গার গোলেই দ্বিতীয়বার সমতায় ফেরে নিউক্যাসল। ন্যু ক্যাম্পের লড়াই জমে ওঠে। ইংলিশ ক্লাবের দাপুটে পারফরম্যান্সে আশঙ্কার মেঘ জমতে থাকে গ্যালারিতে।
বিরতিতে যাওয়ার আগেই অবশ্য স্বাগতিকদের ডাগ আউটে স্বস্তি ফেরান ইয়ামাল। রাফিনিয়াকে ফাউল করায় ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টি পায় বার্সেলোনা। ঠাণ্ডা মাথায় স্পট কিক থেকে বল জালে জড়িয়ে ৩-২ ব্যবধানে বার্সেলোনাকে এগিয়ে রেখে প্রথমার্ধ শেষ করেন ইয়ামাল।
ম্যাচের ওই পর্যন্তও সব ঠিকঠাকই ছিল। দুইবার সমতায় ফেরা নিউক্যাসল দ্বিতীয়ার্ধে এসেও চমক দেখাতে পারেন- এই ধারণা গুঁড়িয়ে দিয়েছে বার্সেলোনা। একের পর এক গোলে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়েছে স্বাগতিকরা।
বিরতি থেকে ফিরে ওয়ান টাচ ফুটবলে দেখার মতো এক গোল করেন ফেরমিন। ৫১ মিনিটের ওই গোলের উৎসব না থামতেই লেভানদোভস্কির লক্ষ্যভেদ। ৫৬ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে আড়াআড়ি শটে তার গোল। ৫ মিনিট পর পোলিশ স্ট্রাইকার আবারও স্কোরশিটে নাম তোলেন হেড থেকে। এরপর ৭২ মিনিটে রাফিনিয়ার দ্বিতীয় গোলে বিশাল জয় বার্সেলোনার।

