অবশেষে ন্যু ক্যাম্প জয় আতলেতিকোর

বার্সাকে ২-০ গোলে হারাল আতলেতিকো। ছবি: সংগৃহীত
ন্যু ক্যাম্পে ২০০৬ সালের পর বার্সেলোনাকে হারাতে পারেনি আতলেতিকো মাদ্রিদ। সেই আক্ষেপ মিটল গতকাল বুধবার। চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ১০ জনে পরিণত হওয়া বার্সাকে তারা হারাল ২-০ গোলে। তাতে চলতি মৌসুমে টানা ১৪ ম্যাচ পর নিজেদের মাঠে হারল বার্সা।
ফল
বার্সেলোনা ০ : ২ আতলেতিকো
আতলেতিকোর হয়ে একটি করে গোল হুলিয়ান আলভারেস ও আলেকসান্দার সরলথের। ৪৩তম মিনিটে তরুণ ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে আর পেরে ওঠেনি বার্সা।
মেত্রোপলিতানোয় ফিরতি লেগে এখন অলৌকিক কিছু করতে হবে বার্সেলোনাকে। সেমিফাইনালে খেলতে জিততে হবে অন্তত ৩-০ গোলে। অথচ এখানে কোপা দেল রে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল কাতালানরা।
একজন কম নিয়ে খেলেও ৫৮ শতাংশ বলের দখল রেখে পোস্টে ১৮টি শট নিয়েছিল বার্সা, লক্ষ্যে ছিল ৭টি। আতলেতিকোর পাঁচ শটের লক্ষ্যে ছিল তিনটি, গোল এর দুটি।
৪৩তম মিনিটে জুলিয়ানো সিমিওনে বল নিয়ে বার্সার ডি-বক্সে প্রবেশের সময় তাকে পেছন থেকে ফাউল করে শুরুতে হলুদ কার্ড দেখেন ১৯ বছর বয়সী কুবারসি। পরে ভিএআর রিভিউ দেখে লাল কার্ড দেন তিনি।
সেই ফাউল থেকে পাওয়া ফ্রি-কিকে দুর্দান্ত গোলে আতলেতিকোকে এগিয়ে দেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড হুলিয়ান আলভারেস। এই মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ৯ গোল করলেন তিনি যা এক আসরে আতলেতিকোর কোনো খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ। ২০১৩-১৪ মৌসুমে দিয়েগো কস্তা করছিলেন ৮ গোল।
প্রথমার্ধে একবার বল জালে জড়িয়েছিলেন রাশফোর্ড তবে লামিনে ইয়ামাল অফসাইডে থাকায় গোল পায়নি বার্সা।
দ্বিতীয়ার্ধে ১০ জন নিয়ে লড়াই চালিয়ে গেলেও গোল পায়নি কাতালানরা। ৫০তম মিনিটে ইয়ামালের থ্রু বল ধরে বক্সে আগুয়ান গোলরক্ষককে কাাটিয়ে রfশফোর্ডের শট লাগে জালে।
৭০ মিনিটে দ্বিতীয় গোলটি পায় আতলেতিকো। সতীর্থের ক্রসে বক্সে ভলিতে জালে জড়ান বদলি নামা সরলথ। তাতেই ২০০৬ সালের পর বার্সেলোনার দুর্গ জয় করল আতলেতিকো।



