চট্টগ্রাম
সরবরাহ বেড়েছে তবুও পাম্পে দীর্ঘ সারি

তেল সরবরাহ বাড়লেও চট্টগ্রামের পাম্পে ভিড় কমেনি
সবকিছু যেন আগের মতোই। জ্বালানি তেলের জন্য হাহাকার। পাম্পে গ্রাহকদের দীর্ঘ সারি। অথচ জ্বালানির দাম বাড়ানোর পর আজ সোমবার থেকে ফিলিং স্টেশনে তেল সরবরাহ বাড়ানোর নির্দেশ ছিল সরকারের। তবে তার সুফল দেখা যায়নি সারাদিনে।
সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরের আগ্রাবাদ, বহদ্দারহাট, খুলশী ও চকবাজার এলাকার একাধিক ফিলিং স্টেশনে ছিল আগের চিত্র। ভোর থেকে গাড়ির দীর্ঘ সারি। মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও পণ্যবাহী ট্রাক লাইনে দাঁড়িয়ে। অনেক চালক অপেক্ষায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। কিছু ক্ষেত্রে তেল শেষ হওয়ায় সময়ের আগেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে পাম্প। এতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অনেকেই ফিরে যাচ্ছেন তেল না পেয়েই।
নগরীর মনসুরাবাদে ইয়াকুব আলী এন্ড সন্স ফিলিং স্টেশনের ট্যাগ অফিসার মো আনিসুল হক জানাচ্ছিলেন, সরকারিভাবে এসছে তেলের সরবরাহ বাড়ানোর নির্দেশনা। কিন্তু সব পাম্পে সমানভাবে পৌঁছায়নি পর্যাপ্ত তেল। ফলে রয়ে গেছে কিছুটা সংকট। সব পাম্পে আগের মতো তেল পেতে কয়েকদিন সময় লাগবে।
নগরীর হালিশহর পাহাড়তলী এলাকার এক পেট্রোল পাম্প মালিকের ভাষ্য, ১০ থেকে ২০ শতাংশ বাড়তি তেল দেওয়া হচ্ছে সোমবার থেকেই। তবে সবাই একইহারে পাচ্ছে না।
বহদ্দারহাট এবি ফিলিং স্টেশনের মালিক মুসলিম মিয়া বলছিলেন, ‘সরবরাহ ঠিক আছে, কিন্তু সবাই একসঙ্গে বেশি তেল নিতে চাওয়ায় তৈরি হচ্ছে চাপ। এই চাপ সহসাই কমবে বলে আমার মনে হয় না। কারণ গ্রাহক চাহিদা সরকারি সরবরাহের চেয়ে বেশি। গ্যাপ পুরণ না হলে দীর্ঘ সারি থাকবেই।’
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের নির্দেশনা অনুযায়ী অকটেনের সরবরাহ আগের তুলনায় ২০ শতাংশ এবং ডিজেল ও পেট্রলের সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে ১০ শতাংশ পর্যন্ত।



