পাঠাগারে হামলা, যুবদল-ছাত্রদলকে দায়ী করল জামায়াতে ইসলামী

বিধ্বস্ত পাঠাগার
হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রাম নগরীর জামায়াতে ইসলামী পরিচালিত একটি পাঠাগারে। জামায়াত এ ঘটনার জন্য দায়ী করছে যুবদল-ছাত্রদলকে। গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতে নগরীর খুলশী থানার সেগুনবাগান এলাকায় ‘ইসলামী পাঠাগারে’ ঘটে এই হামলার ঘটনা। জামায়াতের দাবি, হামলার সময় সাংগঠনিক বৈঠক চলছিল তাদের শ্রমিক সংগঠন ‘শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের’ শাখার।
নগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফেডারেশনের নগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান জানান, গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে শুরু হয় ইসলামী পাঠাগারে হোটেল-রেস্টুরেন্ট শ্রমিক শাখার সাংগঠনিক বৈঠক। ঘন্টাখানেক পর যুবদল-ছাত্রদলের ৫০-৬০ জন ‘সন্ত্রাসী’ অতর্কিতে হামলা করে সেখানে। এতে ফেডারেশনের নগর শাখার কোষাধ্যক্ষ নুরুন্নবীসহ অন্তত ৮ জন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে দাবি লুৎফরের। এ ঘটনায় খুলশী থানায় মামলা করা হবে বলে জানান লুৎফর রহমান। তিনি আরও বলেছেন, হামলাকারীরা ভাঙচুর করেছে পাঠাগারের আসবাবপত্রও। নুরুন্নবীর কাছ থেকে লুট করে নিয়ে গেছে নগদ প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। নিয়ে গেছে কয়েকজনের মানিব্যাগ, মোবাইল ও পাঠাগারের টেলিভিশন।
খুলশী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান পাঠাগারে হামলার বিষয়ে লিখিত কোনো অভিযোগ পাননি বলে জানান। তার ভাষ্য, গতকাল সংঘর্ষ হয়েছিল সিটি কলেজে ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে। এর জের ধরে রাতে সেগুনবাগান এলাকায় দুইপক্ষে সৃষ্টি হয় উত্তেজনার। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি আমরা। চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজে ‘ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ’ দেয়াললিখন থেকে 'ছাত্র' শব্দটি মুছে ‘গুপ্ত’ লিখে দেওয়ার জেরে দুই দফায় শিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে গতকাল। এতে আহত হয় কমপক্ষে প্রায় ৩৫ জন সদস্য।



