ধর্ষণে মাদ্রাসাছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা: শনাক্তকারী নারী চিকিৎসককে হুমকি

ছবি: আগামীর সময়
নেত্রকোনায় শিশু ধর্ষণ মামলার সাক্ষী ও অন্তঃসত্ত্বা শনাক্তকারী চিকিৎসক সায়মাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিজের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি স্থানীয় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। শিশুটি ওই চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিল।
সায়মা আক্তার মদন উপজেলা সদরের একটি বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে রোগী দেখেন। সেখানে শিশুটির আলট্রাসনোগ্রাফি করে তিনি জানতে পারেন, শিশুটি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তারপর তিনি নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে বিষয়টি সামনে আনেন। তখনই সারা দেশে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়।
ঘটনাটি সামনে আনার পর থেকেই এক শ্রেণির মানুষ চিকিৎসক সায়মা আক্তারকে অনলাইনে নানাভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। নিজের ফেসবুকে এসে ভিডিও বার্তায় তিনি এ অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি নিরাপত্তার জন্য সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তাও চান।
জিডিতে ডা. সায়মা উল্লেখ করেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা এবং আইনি প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার পর থেকেই তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এমনকি সামাজিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। এতে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে তুলে ধরেন।
সম্প্রতি নেত্রকোনায় ১১ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে একটি মাদ্রাসার পরিচালক আমানউল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।



