ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাসে প্রতিবেশীকে ধর্ষণের অভিযোগ

ফাইল ছবি
ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে ধর্ষণের অভিযোগে প্রতিবেশীর নামে মামলা করেছেন ফরিদপুর শহরের এক নারী। হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে- অভিযোগ তার।
কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বৃহস্পতিবার হয়েছে মামলাটি। তবে ঘটনা গত ২ এপ্রিলের।
অভিযোগকারী নারী ফরিদপুর পৌরসভার বাসিন্দা। আসামি প্রতিবেশী সুজন শেখ এলাকায় নিজেকে বিএনপিকর্মী পরিচয় দিতেন বলে অভিযোগ ওই নারীর।
এজাহারে বলা আছে, স্বামীর মৃত্যুর পর ১০ বছর ধরে অন্যের বাড়িতে কাজ করেন ওই নারী। গত ২ এপ্রিল তাকে ফ্যামিলি কার্ড ও বিধবাভাতার কার্ড পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে শহরের একটি হোটেলে ডেকে নেন সুজন শেখ। সেখানে ঘটে ধর্ষণের ঘটনা। ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস (ওসিসি) সেন্টারে চারদিন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরেন ওই নারী। হাসপাতাল থেকে দেওয়া ছাড়পত্রে উল্লেখ আছে যৌন হয়রানির কথা।
ধর্ষণ নয়, করেছেন মারধর- দাবি সুজন শেখের।
‘ষড়যন্ত্র করে আমার নামে মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। ওই মহিলা কার্ড করার জন্য প্রায়ই আমার বাড়িতে আসত। ওইদিনও আমার বাড়িতে আসে। তখন আমি উত্তেজিত হয়ে জোরে একটি লাথি মেরেছিলাম। এই কারণে আমার নামে মিথ্যা কথা বলে বেড়াচ্ছে।’
ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানালেন ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম।
‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শিগগিরি তাকে আইনের আওতায় আনা হবে’।
অভিযুক্ত সুজন বিএনপির কেউ নন বলে দাবি ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব এ কে কিবরিয়া স্বপনের। তবে অপরাধী যে-ই হোক, উপযুক্ত শাস্তি চেয়েছেন তিনি।



