হিলিতে কমেছে পেঁয়াজ-রসুনের দাম, স্থিতিশীল আদা

ছবি: আগামীর সময়
দিনাজপুরের হিলি বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কেজিতে কমেছে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত। সরবরাহ বাড়ায় এ দুই নিত্যপণ্যের দাম নিম্নমুখী। বিক্রেতাদের ধারণা, ঈদুল আজহার আগে দাম বাড়ার সম্ভাবনা কম।
আজ মঙ্গলবার সকালে বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় সব দোকানেই পেঁয়াজ ও রসুনের পর্যাপ্ত সরবরাহ। মানভেদে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৯ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। কমে এসেছে রসুনের দামও। গত সপ্তাহে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া রসুন এখন পাওয়া যাচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়।
তবে আদার বাজারে কিছুটা ভিন্নচিত্র দেখা গেছে। সরবরাহে সামান্য ঘাটতি থাকলেও দাম স্থিতিশীল। মানভেদে প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। নতুন আদা বাজারে এলে দাম কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানান বিক্রেতারা।
হিলি বাজারের খুচরা বিক্রেতা আবুল হাসনাত বলছিলেন, পাবনার মুড়িকাটা পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হওয়ায় কিছুদিন সরবরাহ কম ছিল। এখন নতুন জাতের হালি পেঁয়াজ বাজারে আসায় মণপ্রতি দাম ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কমেছে। পাশাপাশি নতুন রসুনের সরবরাহ বাড়ায় দামও কমেছে।
তিনি জানাচ্ছিলেন, আদার সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় মোকামে দাম বেশি। তবে আগে কেনা মজুদ থাকায় প্রভাব পড়েনি খুচরা বাজারে।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের দিনাজপুরের সহকারী পরিচালক বোরহান উদ্দিনের ভাষ্য, কেউ যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পণ্যের দাম বাড়াতে না পারে, সেজন্য হচ্ছে নিয়মিত বাজার মনিটরিং। ক্রয়-বিক্রয় মূল্য তদারকি হচ্ছে এবং অনিয়ম পেলে নেওয়া হচ্ছে আইনি ব্যবস্থা।



