টঙ্গীতে বাবা-ভাই হত্যার ঘটনায় বড় ছেলের স্বীকারোক্তি

টঙ্গীতে বাবা-ভাই হত্যার ঘটনায় বড় ছেলের স্বীকারোক্তি
গাজীপুরের টঙ্গীতে পিতা ও পুত্র হত্যার চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
ঘটনায় আটক বড় ছেলে সাইফুর রহমান সোহানের স্বীকারোক্তিতে ওঠে এসেছে লোমহর্ষক তথ্য। পরে তাকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পাঠানো হয়েছে আদালতে।
পুলিশ জানায়, সোহান পছন্দ করতেন তার খালাতো বোনকে এবং তাদের বিয়ের কথাও চলছিল পারিবারিকভাবে। কিন্তু একই সময়ে ওই মেয়ের সঙ্গে ছোট ভাই সাকিবের গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে তৈরি হয় বিরোধ।
অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার রাতে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়লে সোহান পরিকল্পিতভাবে ছোট ভাই সাকিবকে হাত-পা বেঁধে ধারালো ব্লেড দিয়ে করে হত্যা।
পরে পাশের কক্ষে থাকা বাবা সোহেল দর্জি বিষয়টি দেখে ফেলায় পরিস্থিতি জটিল হওয়ার আশঙ্কায় তাকে বাইরে নিয়ে যায় কৌশলে। এরপর নেশাগ্রস্ত অবস্থায় তাকে বনমালা রেললাইন এলাকায় নিয়ে যাওয়া হলে চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
টঙ্গী পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহান স্বীকার করেছে বাবা ও ভাইকে হত্যার কথা।
উল্লেখ্য, গত রবিবার ভোরে রাজধানীর টঙ্গীর উত্তর বনমালা এলাকার নিজ বাসা থেকে সাকিবুর রহমান শোয়েবের মরদেহ এবং বনমালা রেললাইন এলাকা থেকে সোহেল দর্জির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।



