জামায়াতের নারী কর্মী সাওদা সুমী মুক্তি পেয়েছেন

সাওদা সুমি
সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়িয়েছিলেন- এমন অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন জামায়াতের নারী কর্মী বিবি সাওদা সুমি। এ নিয়ে গত রাত থেকেই সামাজিক মাধ্যমে চলছিল মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তাকে গ্রেপ্তার করা ঠিক হয়েছে কি না, এই নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে নানা তর্ক বিতর্ক; তবে এরই মাঝে জামিন পেয়ে গেছেন তিনি।
সাওদা সুমি কেন আলোচিত?
জ্বালানিী নিয়ে জামায়াতের এই নারী সরকারের সমালোচনা করেছিলেন। তাকে নিয়ে আলোচনা হয়েছে সংসদেও। বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম খান সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, জ্বালানি সঙ্কট নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য করায় ‘সাওদা সুমি’ নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান বলেছিলেন, সাওদা সুমি নামে এক নারী ফেসবুক স্ট্যাটাস শেয়ার করায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। বলা হয়েছে, ‘ওপরের নির্দেশে’ তাকে গ্রেপ্তার ও মামলা দেওয়া হয়েছে। আমার প্রশ্ন হলো- ‘ওপরের নির্দেশ’ বলতে তারা কাকে বুঝিয়েছেন? আমি স্পিকারের মাধ্যমে সরকারের কাছে আহ্বান জানাই, আজকের অফিস টাইমের মধ্যেই ওই নারীকে মুক্তি দিতে হবে এবং মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। কারণ, এই গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদি সরকারের পূর্বাভাস পাওয়া যায়। এ সরকার গণতান্ত্রিক সরকার, তাহলে মানুষ কি কথা বলতে পারবে না?’
ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই গ্রেপ্তারের ঘটনা চর্চিত হয়। বিবি সাওদার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন আদেশ প্রদান করেছেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান ফেসবুক পোস্টে বললেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বোন সাওদা সুমি মুক্ত।
বিবি সাওদাকে গত ৫ এপ্রিল রাত ১১টায় ভোলা পৌরসভার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে ভোলা আদালতে তাকে তোলা হয়।



