অপহরণের পর ৮ লাখ টাকায় মুক্তি, পুলিশের দাবি উদ্ধার

ঈদগড় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রুস্তম আলী। ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারের রামু উপজেলার ঈদগাঁও-ঈদগড় সড়ক পরিচিত ‘আতঙ্কের রুট’ হিসেবে। বুধবার ভোরে এই সড়ক থেকে অপহৃত হন ঈদগড় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য রুস্তম আলী (৪১)। পরিবারের দাবি, দিনভর দেনদরবারের পর ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে রাতে মুক্ত করা হয় তাকে। তবে পুলিশ বলছে, অভিযান চালিয়েই উদ্ধার করা হয়েছে তাকে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্র জানায়, বুধবার ভোর সাড়ে পাঁচটার পর ঈদগাঁও থেকে নিজ বাড়ি ঈদগড় যাচ্ছিলেন রুস্তম আলী। পথে পানেরছড়া ঢালা এলাকায় ১০ থেকে ১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল পথরোধ করে তার। অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে যায় গভীর পাহাড়ি বনে। অপহরণের পরপরই ফোন করে ৩০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয় পরিবারের কাছে। টাকা না দিলে, দেওয়া হয় হত্যার হুমকি।
স্থানীয় সংবাদকর্মী আবুল কাশেমও বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মুক্তিপণের টাকা বুঝে নেওয়ার পর রুস্তম আলীকে ছেড়ে দেয় অপহরণকারীরা। পরে ঈদগাঁওয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি।
তবে পুলিশ বলছে, রুস্তম আলীকে উদ্ধারে দিনভর চালানো হয়েছে অভিযান। রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়ার দাবি, অপহরণের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে শুরু হয় অভিযান। দীর্ঘ অভিযানের একপর্যায়ে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে তাকে। ‘মুক্তিপণের বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই’, বলছেলেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
অপহরণের পেছনে পুরনো বিরোধ, নাকি অপরাধ জগতের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব— তা নিয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন ওসি মনিরুল।
ঈদগড় পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) খুর্শেদ আলমের ভাষ্য, পাহাড়ি এলাকায় টানা অভিযানের ধারাবাহিকতায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে তাকে। তবে কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।





