পানিসম্পদ মন্ত্রী
জিয়াউর রহমানের খাল খনন ‘বিপ্লব’, শেষ হবে তারেক রহমানের নেতৃত্বে

ছবিঃ আগামীর সময়
‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি ছিল একটি ‘বিপ্লব’, যা এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। এই অসমাপ্ত কাজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে শেষ হবে।’
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হামছাদী ইউনিয়নে খাল পুনঃখনন কর্মসূচি অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এসব কথা বলেছেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেছেন, ‘জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচি একটি বিপ্লব ছিল। এই বিপ্লবটি সমাপ্ত হয়নি। যদি প্রেসিডেন্ট জিয়ার চিন্তা, ধারণা ও দূরদর্শিতার আলোকে এটি বাস্তবায়ন হতো, তাহলে স্বনির্ভর বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যেত।’
‘এই বিপ্লব বাধাগ্রস্ত হয়েছে। দীর্ঘদিন এর চর্চা ছিল না, তবে এখন আবার সেই চর্চা শুরু হয়েছে। তার মানে, অসমাপ্ত কাজ তারেক রহমানের নেতৃত্বে এ দেশে সমাপ্ত হবে। যত বাধা-বিপত্তিই থাকুক, খাল তার নিজস্ব প্রবাহে চলবে, এটাই জনগণের প্রত্যাশা।’ - যোগ করেন এ্যানি।
মন্ত্রী কোদাল দিয়ে মাটি কেটে কাফিলাতলি বাজার থেকে হামছাদী এলাকার ১২ দশমিক ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সি-খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন।
পানিসম্পদ মন্ত্রী জানালেন, অনেক স্থানে খালের ভেতরে দোকানপাট ও বসতবাড়ি গড়ে উঠেছে। স্বনির্ভর বাংলাদেশের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে খালের মধ্যে এ ধরনের স্থাপনা তৈরি হতো না। একইভাবে শিল্পকারখানার বর্জ্য বা বাসাবাড়ির ড্রেনের পানি খালে পড়ত না।
লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম, জেলা পরিষদ প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবু, জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক এবং লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ উজ জামান খানসহ প্রমুখ।
সর্বশেষ ১৯৭৮ সালে খনন হওয়া সি-খালটি পুনঃখননে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। খালটি পুনঃখনন হলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার হামছাদী ও রায়পুরের বামনী ইউনিয়নসহ চারটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ জলাবদ্ধতা নিরসন এবং কৃষিকাজে উপকৃত হবেন। খালটির প্রস্থ হবে ২০ থেকে ৩৫ মিটার।

