বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
পরীক্ষা থেকে বহিষ্কারের ক্ষোভে স্টাফদের মারধর, আটক ছাত্র

ছবিঃ আগামীর সময়
মোবাইল ফোন নিয়ে বসেছিলেন ভর্তি পরীক্ষা দিতে। ধরা পড়ে হলেন বহিষ্কার। বের হয়ে সেই ক্ষোভ মেটালেন কর্মচারীদের পিটিয়ে। পরীক্ষার হল থেকে এখন থানায় সেই পরীক্ষার্থী।
ঘটনাটি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের। সেখানে শুক্রবার দুপুরে চলছিল ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয় আহনাফ আহমেদ নামে এক পরীক্ষার্থীকে। কক্ষ থেকে বের হয়েই তিনি চড়াও হন নিরাপত্তা কর্মচারিদের ওপর। তার মারধরে আহত চার কর্মচারি চিকিৎসাধীন শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।
আহতরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি শাখার মো. মনিরুজ্জামান, রাসেল হোসেন, মো. উজ্জ্বল ও লোকপ্রশাসন বিভাগের অফিস সহায়ক সুজিত বালা। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ।
ভর্তি পরীক্ষার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রধান ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে আছেন সহযোগী অধ্যাপক ড. হাফিজ আশরাফুল হক। জানালেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১০৫ নম্বর কক্ষে চলছিল গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা। সেখানে মোবাইল ফোন দেখে খাতায় লিখছিলেন আহনাফ। নজরে আসামাত্র তাকে করা হয় বহিষ্কার। নিরাপত্তা কর্মচারীদের মাধ্যমে পাঠানো হয় কন্ট্রোলরুমে।
‘বহিষ্কারের পর ওই পরীক্ষার্থীকে কন্ট্রোল রুমে আনার সময় সে আমাদের চারজন স্টাফকে মারধর করে। পরে তাকে পুলিশে দেয়া হয়েছে।’
আহত নিরাপত্তাকর্মী মো. মনিরুজ্জামান বর্ণনা- ‘এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কারের পর সে উপস্থিত স্টাফ ও অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের মারধর শুরু করে। পরে পালিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করে। আমি সেখানে গিয়ে তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে সে আমাকেও মারধর করে। আমার নাক, মুখ ও কান রক্তাক্ত হয়। পরে আশপাশের লোকজন এসে তাকে আটক করে।’
পরীক্ষাকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা পুলিশ আহনাফকে নিয়ে গেছে থানায়- বললেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাহাত হোসাইন ফয়সাল। ওই পরীক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানালেন বরিশাল মহানগরের বন্দর থানা পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) মো. শাহাব উদ্দিন।



