ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষকের মৃত্যু

মো. আবুল হাসান
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় ধান কাটতে গিয়ে বজ্রাঘাতে ইসলামি ফাউন্ডেশনের গণশিক্ষা কার্যক্রমের এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে।
গতকাল রবিবার ঘটে এ ঘটনা। রাতে উদ্ধার করা হয় তার মরদেহ। একই সময়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বজ্রপাতসহ কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টি হয়েছে।
মৃত ওই শিক্ষক হচ্ছেন মো. আবুল হাসান (৪০)। তিনি ঝিনাইগাতী উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের পূর্ব চাপাঝোড়া তালতলা গ্রামের বাসিন্দা এবং শাহ আলম হাজির ছেলে। এছাড়া তিনি ছিলেন ইসলামি ফাউন্ডেশনের গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষক।
স্থানীয়রা জানান, রবিবার বিকেলে বাড়ির পাশের জমিতে ধান কাটতে যান আবুল হাসান। বিকেল ৩টার দিকে এলাকায় বজ্রপাতসহ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। তবে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা শুরু করেন খোঁজাখুঁজি।
তাদের সঙ্গে কথা বলে আরও জানা যায়, এ সময় জমির পাশ দিয়ে যাওয়ার পথে এক কৃষক আবুল হাসানকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখে খবর দেন তার বাড়িতে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে রাত আটটার দিকে উদ্ধার করে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন তাকে।
নিহত শিক্ষকের ভাতিজা আনিস বলেছেন, আমার চাচার মৃত্যু হয়েছে বজ্রপাতে। ঘটনাস্থলে তার বুকের পশম পুড়ে যাওয়ার চিহ্ন দেখা গেছে। তিনি ইসলামি ফাউন্ডেশনের গণশিক্ষা কার্যক্রমের শিক্ষক ছিলেন এবং পড়াতেন ধানশাইল ইউনিয়নের চকপাড়া গণশিক্ষা কেন্দ্রে।
এ বিষয়ে শেরপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক এস এম মোহাইমেনুল ইসলাম বলেছেন, নিহত আবুল হাসান আমাদের গণশিক্ষা কার্যক্রমের একজন শিক্ষক ছিলেন। তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে এই কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. আল আমিন বলেছেন, আবুল হাসান নামে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে আনার আগেই।



