বরগুনা
স্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি, হাতেনাতে ধরা শ্রমিকদল সভাপতি

বরগুনার আমতলীতে গাড়ি থেকে চাঁদা আদায়ের সময় পৌর শ্রমিকদলের এক নেতাসহ দুজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন চালক ও স্থানীয়রা। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হলে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে আমতলী উপজেলার চৌরাস্তায় ঘটে এ ঘটনা। আটকরা হলেন পৌর শ্রমিকদলের সভাপতি মো. মিল্টন হাওলাদার ও তার সহযোগী মো. সুমন মৃধা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সিএনজি ও আলফা স্ট্যান্ডের গাড়ি থেকে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে মিল্টনের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে গত ৭ মার্চ দুই পক্ষের মধ্যে হয় সংঘর্ষও। পরে বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলি উল্লাহ স্ট্যান্ডগুলোতে চাঁদা আদায় বন্ধের নির্দেশ দেন। এতে প্রায় দেড় মাস চাঁদা আদায় বন্ধ ছিল।
তবে এপ্রিলের শেষ দিকে আবারও স্ট্যান্ডে চাঁদা আদায় শুরু হয় বলে অভিযোগ করেন চালকরা। মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদা আদায়ের সময় ক্ষুব্ধ চালক ও স্থানীয়রা মিল্টন ও সুমনকে আটক করে আমতলী থানা পুলিশের কাছে করেন হস্তান্তর।
এ ঘটনায় মো. আনোয়ারুল ইসলাম নামে এক চালক থানায় করেন চাঁদাবাজির মামলা। পরে পুলিশ তাদের আদালতে পাঠালে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।
চালকদের দাবি, গত শনিবার থেকে আবারও স্ট্যান্ডগুলোতে চাঁদা আদায় শুরু হয়েছিল।
বরগুনা জেলা শ্রমিকদলের সভাপতি মো. নাসির উদ্দিন মোল্লা উল্লেখ করেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে মিল্টনের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা। তবে দলীয় কোন্দলের কারণেও এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ জানান, চাঁদা আদায়ের সময় দুইজনকে আটক করে পুলিশের কাছে করা হয় হস্তান্তর। পরে মামলার ভিত্তিতে তাদের আদালতে পাঠানো হলে দেওয়া হয় জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ।



