‘মাদক কারবারে বাধা’, সাবেক সেনাসদস্যের ওপর হামলা

সিসিটিভি থেকে প্রাপ্ত ফুটেজের ছবি।
ফরিদপুরের সালথায় মাদক ব্যবসা ও সেবনে বাধা দেওয়ায় মো. শহিদুল ইসলাম সোহেল (৪৮) নামে অবসরপ্রাপ্ত এক সেনা সদস্যের উপর হামলা চালিয়েছে মাদককারবারিরা।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে মো. শহিদুলকে।
শহিদুল উপজেলা সদরের সালথা পাড়ার দাউদ শিকদারের ছোট ছেলে। তিনি সালথা ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক ও কনসালটেশন সেন্টারের পরিচালক ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য।
বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সালথা বাজারে জননী সুপার মার্কেটের দোতলায় নিজের ক্লিনিকে এই হামলার শিকার হন তিনি।
ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাহমুদুল হাসান বলেছেন, ‘খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। কিন্তু হামলা করে দ্রুত পালিয়ে যায় মাদককারবারীরা। হামলাকারীদের ধরতে মাঠে কাজ করছে পুলিশের একাধিক টিম।’ এ ঘটনায় জড়িত সকলকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
হামলাকারীরা হলেন, উপজেলা সদরের ভাওয়াল গ্রামের আলী বিশ্বাসের নুরু বিশ্বাস (৩৫), শামীম বিশ্বাস (২৪) ও জামাল মাতুব্বরের ছেলে সোহেল (২৩)।
সালথা বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, সালথা জননী সুপার মার্কেটের নিচ তলায় একটি কসমেটিক্সের দোকানের সামনে বসে নিয়মিত ইয়াবা বিক্রি ও গাঁজা সেবন করেন নুরু ও তার সহযোগীরা। বুধবারে মাদক সেবনকালে তাদেরকে বাধা দেন শহিদুল। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠিসোটা ও পাইপ নিয়ে ক্লিনিকের ভেতর ঢুকে শহিদুলের ওপর হামলা চালান মাদক ব্যবসায়ীরা।
এ ঘটনার সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, শহিদুলকে লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছেন তিন যুবক। ঠেকানোর চেষ্টা করছেন শহিদুল।
হামলার শিকার শহিদুল বলেছেন, ‘মাদকের কার্যক্রম নিয়ে কথাকাটাকাটি হয় নুরুর সাথে। পরে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন মুরুব্বীরা। কিন্তু পরে ক্লিনিকের ভেতর ঢুকে আমার উপর অতর্কিত হামলা করে নুরু ও তার সহযোগীরা। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।’
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন সহকারী পুলিশ সুপার।



