রাইফেলের নলে কপাল ঠেকিয়ে ট্রিগার চাপলেন কনস্টেবল

সংগৃহীত ছবি
শনিবার ভোর সাড়ে ৪টা। খুলনার সোনাডাঙ্গা রেলওয়ে জেলা পুলিশ লাইনসের অস্ত্রাগার। দায়িত্বে ছিলেন কনস্টেবল সম্রাট বিশ্বাস (৩৮)। সেখানেই রাইফেলের নলে কপাল ঠেকিয়ে ট্রিগার চেপে দেন নিজেই। এভাবেই জীবনের সমাপ্তি টানলেন সম্রাট। সেই দৃশ্য ধরা পড়ে সিসিটিভে ফুটেজে।
সম্রাটের বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার চরপদ্মবিলা গ্রামে। তার স্ত্রী পূজা বিশ্বাসও পুলিশ সদস্য। কর্মরত সাতক্ষীরা জেলায়।
সম্রাট বিশ্বাস পুলিশে যোগ দেন ২০১৮ সালে। গত ছয় মাস আগে তিনি নিযুক্ত হন খুলনা রেলওয়ে পুলিশে। তিনি পারিবারিক কারণে বেশ কিছুদিন ধরে মানসিক অশান্তিতে ভুগছিলেন— জানায় খুলনা রেলওয়ে পুলিশ।
প্রাথমিক ধারণা, তার আত্মহত্যার কারণ হতে পারে পারিবারিক অশান্তি।
নগরীর সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলামের ভাষ্য, ‘শনিবার ভোরে ডিউটি চলাকালে চেয়ারে বসে নিজের কপালে রাইফেলের নল ঠেকিয়ে গুলি করেন সম্রাট বিশ্বাস। কেন তিনি আত্মহত্যা করলেন, বলতে পারছি না। তবে প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক অশান্তির কারণে এ কাজ করতে পারেন তিনি।
এ বিষয়ে খুলনা রেলওয়ে পুলিশ সুপার (এসপি) আহমেদ মাঈনুল হাসানের মন্তব্য, নগরীর সোনাডাঙ্গায় রেলওয়ে পুলিশের অস্ত্রাগারে দায়িত্ব পালন করছিলেন সম্রাট বিশ্বাস। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে চাইনিজ রাইফেল কপালে ঠেকিয়ে নিজেই গুলি করে আত্মহত্যা করেন সম্রাট। তিনি সহকর্মীদের জানিয়েছিলেন, পারিবারিকভাবে তিনি অশান্তিতে আছেন। আমরা তাকে ভালো পুলিশ সদস্য জানতাম। এ ঘটনায় গঠন করা হবে তদন্ত কমিটি।
পুলিশ সুপার আরও বলেছেন, ‘ময়নাতদন্তের জন্য সম্রাট বিশ্বাসের মরদেহ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে।’



