‘মায়ের পথ অনুসরণ করেই তারেক রহমান কৃষিঋণ মওকুফ করেছেন’

ফাইল ছবি
মায়ের পথ অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষিঋণ মওকুফ করেছেন বলে জানিয়েছেন মানিকগঞ্জের প্রান্তিক কৃষকেরা। তারা বলেন বর্তমান তারেক রহমানের মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও তার সরকারের আমলে ৫ হাজার টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করেছিলেন।
সরকারের পক্ষ থেকে গতকাল কৃষিঋণ মওকুফের ঘোষনায় আজ সকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার হিজুলী এলাকায় কৃষকেরা এ অভিমত ব্যাক্ত করেন। সরকার গঠনের ১০ দিনের মাথায় তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করায় এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃষকেরা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন কৃষকেরা।
এ সময় কৃষক মো: বাদল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকের জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছেন তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলছিলেন, দেশ পরিচালনা ভালোভাবে করুক, আর আমারা যে কৃষি কাজের জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করি এটাতে আমরা কোন ছার পাই না। আর যদি সারের দাম কমিয়ে দেয় তাহলে আমরা ফসল এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব তাছাড়া আমাদের আর কোন বিকল্প পথ নেই। আর আমাদের যদি সুযোগ সুবিধা না দেয় তাহলে দেশ বাচঁবে না ‘কৃষক বাচঁলে দেশ বাচঁবে’। আমি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাই আমাদের এই দুঃখ তার কাছে বলা ছাড়া আর উপায় নেই।
‘তারেক রহমান যে মহান কাজ করল তা অনেক দিন আগে তার আম্মা একটি ক্ষুদ্র কৃষিঋণ ৫,০০০ টাকা মওকুফ করেছেন ঐটা আমার আব্বার নামে ছিল তাতে সাধুবাদ জানিয়ে কৃষক মো: শাজাহান জানান তার ছেলে এসে যে ১০,০০০-১৫,০০০ টাকার ক্ষুদ্র কৃষিঋণ গুলো মওকুফ করে দিল তার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ কেননা তিনি নির্বাচনের আগে যা ওয়াদা করেছেন সেই ওয়াদা পূরণ করলেন তিনি যে আসলেই ভালো তার প্রমাণ দিলেন। অন্যন্যা যায়গায় আমরা সার, বীজ, ভালো মতো পাইনা এখন সে যদি এগুলো ঠিক মতো বহন করে তাহলে আমরা চাষাবাদ আরও বাড়াতে পারবো আবার বিদ্যুৎ খাতে ঝামেলা হয় দুর্নীতি হয় সঠিক সময় আমরা পানি পাই না প্রধানমন্ত্রী যদি এই দিকগুলো দেখে তাহলে আমাদের চাষাবাদে আরও ভালো হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
‘প্রধানমন্ত্রী কথা দিয়ে কথা রেখেছেন সার, তেলের দাম কমাইলে এবং দ্রব্য মূল্যের দাম স্বাভাবিক রাখে কৃষক যেন ঘাটতিতে না পরে এটাই চাই সরকারের কাছে সরকারের উদ্দেশ্য ভালো আছে এই ১০ দিনে যে এত প্রতিশ্রুতি নিয়েছে আমরা এতেই খুশি’ বলছিলেন, কৃষক রেজাউল করিম।
কৃষকরা আরও জানান, বিগত সরকারের আমলে কৃষকেরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। সার কালোবাজারীদের কাছে বিক্রি করত। আমরা ঠিকসময় মত সার ও বীজ পেতাম না। বিদ্যুৎ ও ডিজেলের দাম ছিল অসহনীয়। তারা বর্তমান সরকারের কাছে সময়মত ও ন্যায্যমূল্যে সার ও বীজ সরবরাহের দাবী জানান। এ সময় তারা ফসল ও বীজ সংরক্ষণের জন্য হিমাগার প্রতিষ্ঠা, প্রতিটি ইউনিয়নে ক্রয়কেন্দ্র চালু, ন্যায্যমূল্যের দোকান স্থাপন এবং সারা বছর জিকে সেচ প্রকল্পে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

