আগামীর সময়

পদ্মায় বাসডুবি

১১ জন জীবিত উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ৩৩

১১ জন জীবিত উদ্ধার, এখনো নিখোঁজ ৩৩

সংগৃহীত ছবি

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাসডুবির ঘটনায় ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে দুইজনের।তবে এ ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৩৩ জন। এ তথ্য জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন।

‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে— ৩৩ জনের মতো যাত্রীর মরদেহ পানির নিচে রয়েছে। ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের দুজন ডুবুরি, দুজন সহকারী ডুবুরি উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে’—জানালেন ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা।

আজ বুধবার (২৫ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ১১ জন যাত্রী সাঁতরে পাড়ে উঠতে পেরেছেন বলে জানা গেছে। বাসে অন্তত যাত্রী ছিলেন ৪৫ জন। 

নিহতরা হলেন—রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর লাল মিয়া সড়কের মৃত ইসমাইল হোসেন খানের স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৬০) ও রাজবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পাংশা জোনাল অফিসের কর্মকর্তা মর্জিনা বেগম (৫৬)। এ ঘটনায় নিহত রেহানা আক্তারের ছেলে আহনাফ রায়হান ও নাতি রয়েছেন নিখোঁজ।

স্থানীয় ও ঘাট সূত্রে জানা গেছে, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ঘাটের পন্টুনে ওঠার চেষ্টা করছিল। এ সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে মুহূর্তেই তলিয়ে যায়।


    শেয়ার করুন: