‘কয়েল’ থেকে এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চে আগুন

ছবিঃ আগামীর সময়
বরিশালের চরমোনাই সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীতে নোঙ্গর করে রাখা এমভি কীর্তনখোলা-১০ এর কেবিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বলছে, মশার কয়েল থেকে এ ঘটনা হতে পারে। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে লঞ্চটিতে আগুন লেগেছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লঞ্চের তৃতীয় তলার ৩২৫ নম্বর কেবিন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্টাফরা। তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গেলে কেবিনটি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। পরে জানালার গ্লাস ভেঙে দরজা খুলে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলেন স্টাফরা।
তারা বলছিলেন, এমভি কীর্তনখোলা-১০ ঢাকা থেকে চরমোনাই মাহফিলের মুসল্লিদের নিয়ে বরিশালে আসে। এরপর মাহফিল প্রাঙ্গণ সংলগ্ন নদীতে লঞ্চটি নোঙ্গর করে রাখা হয়। যেহেতু মুসল্লিরা লঞ্চটি রিজার্ভ করেছে, তাই মাহফিল শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেটি ওখানেই থাকবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, আগুনে কেবিনের ভেতরের আসবাবপত্র, বিছানার তোশক, বালিশ, ফ্যান ও মুসল্লিদের মালামালসহ অনেক কিছুই পুড়ে গেছে।
‘ঘটনার সময় কেউ কেবিনে ছিলেন না। এজন্য হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। স্টাফরা ধোঁয়া দেখতে পেয়ে তিনতলায় গিয়ে ৩২৫ নম্বর কেবিনের জানালার গ্লাস ভেঙে আগুন নিভিয়ে ফেলে। এতে বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পায় লঞ্চটি’, ব্যাখ্যা করছিলেন কীর্তনখোলা-১০ এর ব্যবস্থাপক বেল্লাল হোসেন।
চরমোনাই ঘাটে আরও অনেক লঞ্চ নোঙ্গর করা আছে। প্রত্যেকটিতেই হাজার হাজার মুসল্লি রাত্রিযাপন করেন। এ ধরণের দুর্ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে, সেজন্য সকল লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে সতর্ক হতে মাহফিলের নিরাপত্তা বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ।

