আগামীর সময়

ঈদযাত্রা

চন্দ্রায় ১২ কিমি জট, সদরঘাটে ভিড়

চন্দ্রায় ১২ কিমি জট, সদরঘাটে ভিড়

সংগৃহীত ছবি

লম্বা ছুটির দ্বিতীয় দিন আজ বুধবার। আর ২০ তারিখ ধরলে ঈদের বাকি দুইদিন। রাজধানীবাসীর অনেকের ঘরে ফেরা শুরু হয়েছে গত শুক্রবার থেকেই। তবে মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে মূল ঈদযাত্রা। দ্বিতীয় দিনে আজ চাপ পড়েছে গাজীপুরের মহাসড়কগুলোতে। যাত্রীর ভিড় দেখা গেছে সদরঘাটেও। 

সে তুলনায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও নেই জট।

উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার চন্দ্রায় বুধবার সকাল থেকেই যানবাহনের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। চন্দ্রা বাস টার্মিনালসংলগ্ন প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকায় ধীরগতির কারণে তৈরি হয়েছে দীর্ঘ যানজট। চালকরা বলছেন, দুপুরের পর গাজীপুরের প্রায় ৪০ শতাংশ কারখানা ছুটি হলে আরও বাড়বে চাপ। আগের দুইদিন ১০ শতাংশ ও ২৫ শতাংশ কারখানা ছুটি দিয়েছিল। 

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সফিপুর থেকে চন্দ্রা ত্রিমোড় পর্যন্ত এবং চন্দ্রা-নবীনগর সড়কের বাড়ইপাড়া এলাকা থেকে ত্রিমোড় পর্যন্ত বিস্তৃত এই যানজট। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেতে হচ্ছে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যদেরও।

অন্যদিকে টঙ্গী থেকে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত এবং চান্দনা চৌরাস্তা থেকে ভোগড়া, মাওনা ও জৈনাবাজার পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে সকাল থেকে দেখা যায়নি যানজট। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির চাপ বাড়ায় কিছুটা ধীরগতি দেখা গেছে।

রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে ভোর থেকেই ভিড় শুরু হয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের। ঘরে ফিরতে আগেভাগেই ঘাটে হাজির হয়েছেন অনেকে। বেলা বাড়লে ঘাটে আসতে থাকেন মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুরের মতো স্বল্প দূরত্বের যাত্রীরা। 


যাত্রী ওঠা-নামা, টিকিট সংগ্রহ ও মালামাল বহনে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে কঠোর নজরদারি দেখা গেছে সংশ্লিষ্টদের। প্রতিটি লঞ্চ যাত্রীতে পরিপূর্ণ হয়ে ছেড়ে যাচ্ছে। 

চাপ থাকলেও ভিড় নেই দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) সূত্রে জানা গেছে, এ ঘাটে ছোট-বড় মোট ১৭টি ফেরি চালু আছে। পাশাপাশি চলছে ২০টি লঞ্চ। পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখায় যানজট তৈরি হচ্ছে না। তাছাড়া পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে এমনিতেই ফেরিঘাটে চাপ কমেছে।

ঈদযাত্রার ভিড় দেখা যায়নি রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে। চাপ থাকলেও নির্ধারিত সময়ে ট্রেন ছাড়ায় জটলা নেই যাত্রীদের। 

স্টেশন ম্যানেজার সূত্রে জানা গেছে, সারাদিনে মোট ৫৫টি ট্রেন চলাচল করবে। এর মধ্যে ৪৪টি আন্তঃনগর ট্রেন এবং তিন জোড়া বিশেষ (স্পেশাল) ট্রেন। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো শিডিউল বিপর্যয় নেই।

    শেয়ার করুন: