হাম
রেড জোন বাকেরগঞ্জ, ৪ শিশুর মৃত্যু

সংগৃহীত ছবি
বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলাকে ঘোষণা করা হয়েছে হামের রেড জোন। এ উপজেলায় হামকে ঘিরে তৈরি হয়েছে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। এখন পর্যন্ত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে চার শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছে রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের একজন, চরামদ্দি ইউনিয়নের একজন এবং চরাদি ইউনিয়নের দুইজন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হচ্ছে অসংখ্য শিশু। শুধু বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই এ পর্যন্ত ভর্তি করা হয়েছে ১৫ জনকে। তাদের মধ্যে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে অন্য হাসপাতালে।
তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্সিং সুপারভাইজার সালমা আক্তার বলেছেন, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৫ জন শিশুর রক্ত পরীক্ষায় এখন পর্যন্ত কারও শরীরে হাম শনাক্ত হয়নি।
‘সরকার কর্তৃক বাকেরগঞ্জকে হামের রেড জোন হিসেবে ঘোষণা করার পর গত ৫ এপ্রিল থেকে এখানে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। রেড জোন হিসেবে ঘোষিত ৩০টি উপজেলায় এ কর্মসূচি একযোগে চালু করা হয়েছে, আর অন্যান্য জেলায় তা শুরু হয়েছে ২০ এপ্রিল থেকে‘—যোগ করেছেন তিনি।
নার্সিং সুপারভাইজার জানাচ্ছিলেন, বাকেরগঞ্জ উপজেলায় হামের টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৩ হাজার ৭৩৯ জন শিশুকে। ইতোমধ্যে ৩৩ হাজার ৪৩৮ জন শিশুকে দেয়াক হয়েছে টিকা, যা প্রায় শতভাগ সাফল্য।
তবে চার শিশুর মৃত্যুর বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘যেসব শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, তাদের কেউই বাকেরগঞ্জের কোনো হাসপাতালে মারা যায়নি। অন্য জেলা বা উপজেলায় অবস্থানকালে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে তারা।’
আতঙ্কিত না হয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকা, শিশুদের সময়মতো টিকা দেওয়া এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।



